ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র একদিকে আলোচনার ইঙ্গিত দিচ্ছে, অন্যদিকে গোপনে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তার ভাষায়, এই দ্বৈত অবস্থান চলমান সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে। রয়টার্স জানিয়েছে, গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি স্থলবাহিনী নামায়, তাহলে ইরান তার জবাব দিতে প্রস্তুত।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ এখন একটি স্পর্শকাতর পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো সম্ভাব্য স্থল আগ্রাসনের মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখানো হবে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।
এদিকে, ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি বলেছেন, তেহরান টেকসই শান্তির পথ থেকে সরে আসতে চায় না। তবে তার মতে, যেকোনো আলোচনায় ইরানের ক্ষয়ক্ষতির প্রশ্ন, ক্ষতিপূরণ, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালীর বিষয়টি গুরুত্ব পেতে হবে। একই ধরনের অবস্থান আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও উঠে এসেছে, যেখানে বলা হয়েছে ইরান আলোচনার শর্ত হিসেবে যুদ্ধের ক্ষতি ও কৌশলগত স্বার্থের বিষয়গুলো সামনে আনছে।
ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, এই সংঘাত তারা শুরু করেনি, কিন্তু এর বড় মূল্য দিতে হয়েছে দেশটিকে। হামলায় বহু বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আবাসিক এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। ফলে সম্ভাব্য যেকোনো সমঝোতায় শুধু যুদ্ধবিরতি নয়, যুদ্ধ-পরবর্তী দায় ও পুনর্গঠনের প্রশ্নও প্রাধান্য পেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্র: সামা টিভি, রয়টার্স








