মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আজাদ খান পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের পরের দিন তিনি ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। তার সে স্ট্যাটাসটি আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বুধবার (৮ অক্টোবর) নিজের অধ্যাপক ড. আজাদ খান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্টটি দেন। তিনি লেখেন, মুক্ত জীবনের অপেক্ষায় আছি। দেশ স্বাধীন, নাগরিক স্বাধীন। সুতরাং যেকোনো বিষয়ে মত প্রকাশের অধিকার নাগরিকের আছে। আমরা ট্যাক্সপেয়ার। করদাতার মতামত করখোরদের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
স্ট্যাটাসে তিনি আরও উল্লেখ করেন, যারা নিজেদেরকে কোনো গোষ্ঠীর প্রতিনিধি মনে করে মানুষের উপর ছড়ি ঘোরানোর চেষ্টা করছে, তারা অচিরেই এর ফল ভোগ করবে। বর্তমানটা ভবিষ্যতে থাকবে না। সবার চরিত্র উন্মোচিত হবে। ৫ আগস্টের চেয়েও জটিল পরিস্থিতি জনবিচ্ছিন্ন গোষ্ঠীর অনেককে ভোগ করতে হবে। জনগণ জাগতে শুরু করবে।
এর আগে, মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন অধ্যাপক ড. আজাদ খান।
পদত্যাগের পেছনে কারণ হিসেবে মাউশির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ডিজি পদে অধ্যাপক আজাদ খান দায়িত্বে থাকা অবস্থায়ই শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নতুন ডিজি নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। যা মাউশির ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা। বিষয়টিকে অপমানজনক মনে করেই তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন।








