গত ২৮ জানুয়ারি শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল রেজাউল করিম হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের প্রতিবাদে জেলা জামায়াতের আয়োজনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা শহরের কলেজ মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এসে শেষ হয়।
এরপর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান এর সভাপতিত্বে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ বক্তব্য রাখেন, শেরপুর-১ (সদর) আসনের জামায়াতের প্রার্থী ও সাবেক ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের জামায়াতের প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ।
বক্তব্যে জামায়াত নেতৃবৃন্দরা বলেন, আমাদের ভাই শহীদ রেজাউল এর হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে আগামী নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লার নিরঙ্কুশ জয় ছিনিয়ে আনতে হবে। এই বদলা নেয়ার ক্ষেত্রে যদি কেউ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। তাহলে আমরা প্রাচীরের মতো দাঁড়িয়ে থাকবো। রেজাউলের মতো আমরা রক্ত দিতে প্রস্তুত রয়েছি। প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলছি, রেজাউল হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করা হবে। এছাড়া আগামী দিনে কোন কর্মসূচিতে যদি প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করে তাহলে প্রশাসনের ওই কর্তাদের শেরপুর ছাড়তে হবে।
এছাড়া সমাবেশে আগামী ৩১ জানুয়ারি শনিবার বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্টেডিয়ামে শহীদ রেজাউলের জন্য দোয়া মাহফিলের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
সমাবেশ শেরপুর জেলাসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে জামায়াত ও তার বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।








