জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ সাক্ষ্যগ্রহণ করছেন।
এর আগে গত ২৮ আগস্ট এ মামলার প্রথম সাক্ষ্য দেন শহীদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন। একই দিনে রংপুরে কর্মরত এনটিভির সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট একেএম মঈনুল হক সাক্ষ্য দেন, তবে তার জেরা শেষ হয়নি। আজকের কার্যক্রমে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করবেন।
পুলিশ জানিয়েছে, সকালেই কারাগার থেকে ছয় আসামিকে প্রিজনভ্যানে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। তারা হলেন— এএসআই আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল এবং আনোয়ার পারভেজ।
গত ২৭ আগস্ট এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয় চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে। এর আগে ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। তবে এ মামলায় বেরোবির সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ২৪ আসামি এখনও পলাতক। তাদের পক্ষে সরকারি খরচে চারজন আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে।
গত ৩০ জুলাই পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীরা শুনানিতে অংশ নেন। এ সময় আইনজীবী সুজাত মিয়া, মামুনুর রশীদ, ইশরাত জাহান ও শহিদুল ইসলাম আলাদাভাবে কয়েকজন আসামির পক্ষে সাফাই উপস্থাপন করেন। এছাড়া ২৯ জুলাই তিনজন আসামির পক্ষে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।








