বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩, ২৭ শাওয়াল ১৪৪৭, গ্রীষ্মকাল

সারাদেশে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক ঘণ্টার কর্মবিরতি আজ

শিক্ষকদের চাওয়া ১১তম গ্রেড দাবি পূরণ না হওয়ায় আজ সোমবার থেকে সারাদেশে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এক ঘণ্টার কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন। এর আগে গতকাল রোববার পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলেন।

সহকারী শিক্ষকরা ১০ম গ্রেডে বেতন চেয়ে আগে থেকে আন্দোলন করছেন। এখন তাদের বক্তব্য, অন্তত শুরুতে ১১তম গ্রেডে বেতন দিতে হবে। এ ছাড়া চাকরিতে ১০ বছর ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার জটিলতা নিরসন এবং প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতি দিতে হবে।

এ তিন দাবিতে এক ঘণ্টা কর্মবিরতি চলবে ১৫ মে পর্যন্ত। ১৬ থেকে ২০ মে পর্যন্ত দুই ঘণ্টা করে কর্মবিরতি করবেন শিক্ষকরা। ২১ থেকে ২৫ মে পর্যন্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতি করবেন। ২৬ মে থেকে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত পূর্ণদিবস কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সারাদেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে পৌনে ৪ লাখের মতো শিক্ষক আছেন। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষকদের বর্তমান বেতন ১১তম গ্রেড। আর সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৩তম গ্রেড।

এর আগে গত ১৩ মার্চ উচ্চ আদালত এক রায়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩০ হাজার প্রধান শিক্ষককে দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তার মর্যাদা দেন। সেইসঙ্গে তাদের বেতন ১০ম গ্রেডে নির্ধারণের নির্দেশ দেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, আদালতের নির্দেশে প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড এক ধাপ উন্নীত হয়েছে। এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড এক ধাপ উন্নীত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ব্যাপারে সরকার গঠিত কমিটির প্রতিবেদনেও সুপারিশ রয়েছে।

শিক্ষকদের কর্মবিরতি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মোহম্মদ মাসুদ রানা গতকাল কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন বলেন, আমাদের দাবি চার বছর পর নয়; শুরু থেকে ১১তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ এবং শতভাগ পদোন্নতি। এ ছাড়া পদোন্নতিবঞ্চিত শিক্ষকদের সরকারি বিধি অনুযায়ী ১০ বছর পূর্তিতে প্রথম উচ্চতর গ্রেড এবং ১৬ বছর পূর্তিতে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড শর্তহীনভাবে দিতে হবে।

অন্যদিকে, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি শাহিনুর আল-আমীন বলেন, এই মুহূর্তে সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে (শুরুর পদ) বেতন দিতে হবে। পরে স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করতে হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, পরামর্শক কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সহকারী শিক্ষকদের দশম গ্রেড বাস্তবায়ন করতে গেলে আলাদা বেতন কাঠামো প্রয়োজন। এ মুহূর্তে সহকারী শিক্ষকদের দশম গ্রেড দেওয়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, বর্তমান বেতন কাঠামোতে সহকারী শিক্ষকদের যখন নিয়োগ হবে, তখন তারা ১২তম গ্রেডে নিয়োগ পাবেন। চার বছর পর সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে ১১তম গ্রেডে পদোন্নতি পাবেন। প্রধান শিক্ষকরা পাবেন দশম গ্রেড। উপদেষ্টা জানান, মন্ত্রণালয় পরামর্শক কমিটির সুপারিশ সমর্থন করে এবং তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

টাইমের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
‘আমিও অনলাইন ক্লাস চাই না, পৃথিবী চায়’
বিয়ে আমার জীবনের একটি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল: অপু বিশ্বাস
৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত
ভিসা ছাড়া বিশ্বের ৩৬ দেশ ভ্রমণে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা
কাল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান নতুন দফা বৈঠক
জেনিফার লোপেজের ‘নতুন শুরু’!
নেইমার বিষয়ে আনচেলত্তিকে যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট
‘মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে’
দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার বন্ধ ঘোষণা
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
এনআইডি সংশোধনে ইসির কঠোর নিয়ন্ত্রণ
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনে করবেন প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীতে ২০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
আজ পহেলা বৈশাখ
নকলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ
ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনায় বিচলিত নন পোপ লিও
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জামায়াত আমির
আলী খামেনি’র শাহাদাতের চল্লিশতম দিন উপলক্ষে ঢাবিতে স্মরণসভা

ফটোগ্যালারী

[custom_gallery]

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.