সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩, ২ জিলকদ ১৪৪৭, গ্রীষ্মকাল

পবিত্র কোরআনের যে আয়াতে রোজা রাখার হুকুম রয়েছে

সাওম বা রোজা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ফরজ বিধান ও ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি। ইসলামের যতগুলো বিধান সাধারণত সব মুসলামানের ওপর করা হয়েছে তার অন্যতম হলো রমজান মাসের ৩০ দিনের রোজা। অন্যটি হলো নামাজ।

আল্লাহ তায়ালা সাধারণভাবে এই দুইটি বিধান ধনী-গরিব সব শ্রেণীর মানুষের জন্য ফরজ করেছেন। এর বাইরে হজ ও জাকাত সবার জন্য ফরজ নয়। নির্ধারিত সময় এবং নির্ধারিত মালামাল থাকলেই কেবল তা ফরজ।

অর্থাৎ, হজ ফরজ হয় জিলহজ মাসে কারো কাছে মক্কায় গিয়ে হজ করে আসা পরিমাণ সম্পদ থাকলে। আর জাকাত ফরজ হয় এক বছরের বেশি নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকলে। তবে রোজা সুস্থ মস্তিস্ক, প্রাপ্ত বয়স্ক নারী-পুরুষ সবার ওপর ফরজ।

রোজা বিধান ইসলামের সূচনা থেকেই ফরজ করা হয়নি মুসলমানদের ওপর। প্রথম দিকে তা নফল হিসেবে পালন করা হতো। এরপর দ্বিতীয় হিজরিতে মুসলমানদের ওপর হজ ফরজ করা হয় কোরআনের একটি আয়াত নাজিলের মাধ্যমে। সূরা বাকারার ১৮৩-১৮৫ নম্বর আয়াতে রোজা ফরজের বিধান নাজিল করা হয়েছে।

হিজরতের দ্বিতীয় বর্ষে অর্থাৎ নবুয়তের ১৫তম বছরে এসে রোজার বিধান অবতীর্ণ হয়।

یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا کُتِبَ عَلَیۡکُمُ الصِّیَامُ کَمَا کُتِبَ عَلَی الَّذِیۡنَ مِنۡ قَبۡلِکُمۡ لَعَلَّکُمۡ تَتَّقُوۡنَ ۙ ١٨٣ اَیَّامًا مَّعۡدُوۡدٰتٍ ؕ فَمَنۡ کَانَ مِنۡکُمۡ مَّرِیۡضًا اَوۡ عَلٰی سَفَرٍ فَعِدَّۃٌ مِّنۡ اَیَّامٍ اُخَرَ ؕ وَعَلَی الَّذِیۡنَ یُطِیۡقُوۡنَہٗ فِدۡیَۃٌ طَعَامُ مِسۡکِیۡنٍ ؕ فَمَنۡ تَطَوَّعَ خَیۡرًا فَہُوَ خَیۡرٌ لَّہٗ ؕ وَاَنۡ تَصُوۡمُوۡا خَیۡرٌ لَّکُمۡ اِنۡ کُنۡتُمۡ تَعۡلَمُوۡنَ ١٨٤ شَہۡرُ رَمَضَانَ الَّذِیۡۤ اُنۡزِلَ فِیۡہِ الۡقُرۡاٰنُ ہُدًی لِّلنَّاسِ وَبَیِّنٰتٍ مِّنَ الۡہُدٰی وَالۡفُرۡقَانِ ۚ فَمَنۡ شَہِدَ مِنۡکُمُ الشَّہۡرَ فَلۡیَصُمۡہُ ؕ وَمَنۡ کَانَ مَرِیۡضًا اَوۡ عَلٰی سَفَرٍ فَعِدَّۃٌ مِّنۡ اَیَّامٍ اُخَرَ ؕ یُرِیۡدُ اللّٰہُ بِکُمُ الۡیُسۡرَ وَلَا یُرِیۡدُ بِکُمُ الۡعُسۡرَ ۫ وَلِتُکۡمِلُوا الۡعِدَّۃَ وَلِتُکَبِّرُوا اللّٰہَ عَلٰی مَا ہَدٰىکُمۡ وَلَعَلَّکُمۡ تَشۡکُرُوۡنَ ١٨٥

হে মুমিনগণ! তোমাদের জন্য রোজার বিধান দেওয়া হলো, যেমন বিধান তোমাদের পূর্ববর্তীগণকে দেওয়া হয়েছিল, যাতে করে তোমরা তাকওয়া বা আল্লাহ ভীরুতা অবলম্বন করতে পারো।

আর যারা রোজা রাখার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও রোজা রাখতে চায় না (যারা রোজা রাখতে অক্ষম), তারা এর পরিবর্তে একজন মিসকিনকে খাদ্য দান করবে। পরন্তু যে ব্যক্তি খুশির সঙ্গে সৎকর্ম করে, তা তার জন্য কল্যাণকর হয়। আর যদি তোমরা রোজা রাখ, তাহলে তা তোমাদের জন্য বিশেষ কল্যাণের; যদি তোমরা উপলব্ধি করতে পারো।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

বর্তমান মজুত গ্যাসে ১২ বছর চাহিদা মেটানো সম্ভব
দূরপাল্লার বাসে ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব
হামের উপসর্গ নিয়ে চারজনের মৃত্যু
এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ
এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
ম্রো জনগোষ্ঠীর প্রথম শিক্ষার্থী য়াপাও ম্রো।
১২ বছর পর সালমানকে ‘হ্যাঁ’ বললেন প্রীতি!
‘তামিম শতভাগ দিয়ে বোর্ডকে গর্বিত করতে পারবে’
গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে গ্রেপ্তার ৬৯
এনসিপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন
প্রেমে মজেছেন সিডনি সুইনি!
সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু
হামে আরও চার শিশুর মৃত্যু
নীরবতা ভেঙে কঠিন যে হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা
আবারো হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারি
‘বিগত দুই সরকারের সময় ঠিকমতো হামের টিকা না দেওয়া ক্ষমাহীন অপরাধ’
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২ জুলাই থেকে শুরু
সৌদি আরব পৌঁছেছে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট
বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন
সরকারের দুই মাস পূর্তি উপলক্ষে আজ সংবাদ সম্মেলন

ফটোগ্যালারী

[custom_gallery]

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.