ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন-ইভিএমের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ৪ হাজার কোটি টাকা নষ্ট করেছে বিগত সরকার। দুদকের অভিযানে সকল ইভিএম নিম্নমানের ও অকার্যকর অবস্থায় পাওয়া গেছে। এই প্রকল্পে অর্থ অপচয় ও লোপাটে জড়িত ও পরামর্শদাতাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক আক্তার হোসেন।
বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর মতামত উপেক্ষা করে ২০১৮ সালে ৩ হাজার ৮২৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ইভিএম প্রকল্প গ্রহণ করে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি ইভিএম কিনতে খরচ হয় ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। মেশিনগুলোর জীবনকাল কমপক্ষে ১০ বছর ধরা হলেও এর আগেই নষ্ট হয়েছে বেশিরভাগ যন্ত্র।
পট পরিবর্তনের পর নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করা ঘোষণা দেয় নির্বাচন কমিশন। এরই মাঝে ইভিএম প্রকল্পের বাস্তব চিত্র দেখতে যায় দুদক। সংস্থাটির অভিযানে অধিকাংশ মেশিন নিম্নমানের ও অকার্যকর পাওয়া গেছে। হদিস মেলেনি অন্তত ১৬শ’ মেশিনের। এর প্রেক্ষিতে প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি মহাপরিচালক।
এদিন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ কয়েকটি বিমানবন্দরে উন্নয়ন প্রকল্পে ৮১২ কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগে আলাদা ৪টি মামলা করেছে দুদক। এসব মামলার আসামিদের তালিকায় আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক উপদেষ্টা তারেক সিদ্দিকী, সাবেক বিমান সচিব মহিবুল হক, সাবেক বেবিচক চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা।
দুদক বলছে, অ্যরোনেস ইন্টারন্যাশনালকে বিভিন্ন বিমানবন্দরের প্রকল্পের কাজ অবৈধভাবে পেতে সহযোগিতা করে অভিযুক্তরা।








