ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬ উপজেলায় নতুন জনপ্রতিনিধি বেছে নিতে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা।
নির্বাচন কর্মকর্তারা জানান, এসব উপজেলার ১৩ হাজারের বেশি কেন্দ্রে মঙ্গলবার সকাল ৮টায় নির্ধারিত সময়েই ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা একটানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে।
দুর্গম এলাকার ৬৯৭ কেন্দ্রে ব্যালট পেপার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে সোমবারই। বাকি ১২ হাজার ৩২৩ কেন্দ্রে ব্যালট পেপার পৌঁছানো হয় মঙ্গলবার সকালে ভোট শুরুর আগে।
নির্বাচন কমিশনের আশা, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও অনুকূল আবহাওয়ায় ভোটাররা কেন্দ্রমুখী হলে ভোটের হার প্রথম ধাপের ৩৬.১ শতাংশের চেয়ে বাড়বে।
এবারের নির্বাচনে ‘গোলযোগ-সহিংসতা’ এ পর্যন্ত কম হলেও অনেক এলাকায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রার্থীদের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ এসেছে। কয়েকটি ক্ষেত্রে কঠোর হতেও দেখা গেছে নির্বাচন কমিশনকে।
ইতোমধ্যে দুজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে দুজন ওসিকে। একজন মন্ত্রী ও একজন সংসদ সদস্যকে ইসিতে তলব করা হয়েছে।
শান্তিপূর্ণ ভোট করতে প্রশাসন ও পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক সংস্থাটি। কোনো ধরনের অনিয়ম হলেই কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করার নির্দেশনা রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, দ্বিতীয় ধাপের ভোট যাতে সুষ্ঠুভাবে হতে পারে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
“প্রথম ধাপের নির্বাচনেও তাই করেছি। এবারও তেমন হবে। কমিশনের দায়িত্ব নির্বাচন শান্তিপূর্ণ রাখা। নির্বাচন কমিশনের আন্তরিকতার কোনো কমতি নেই।”








