সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩, ২ জিলকদ ১৪৪৭, গ্রীষ্মকাল

‘অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ হতে পারে সর্বোচ্চ ৪ বছর’

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ দেশের জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর  নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস। তবে এই মেয়াদ সর্বোচ্চ ৪ বছরের কম কিংবা আরও কম হতে পারে বলে জানান তিনি।

আল-জাজিরা টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে এই কথা জানান প্রধান উপদেষ্টা।

সম্প্রতি আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সম্মেলনের ফাঁকে কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশ যেসব সংকট মোকাবিলা করছে সেগুলো নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি বাংলাদেশ নিয়ে তার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন। রোববার এই ভিডিও সাক্ষাৎকার সম্প্রচার করেছে আল–জাজিরা।

বাংলাদেশে আগামী নির্বাচনের সঠিক সময় কখন হবে, সে বিষয়ে ড. ইউনূসের কোনো ভাবনা আছে কি না, সে প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘না। আমার মাথায় এমন কিছু নেই।’

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সীমা কী হতে পারে, সে বিষয়ে জানতে চাইলে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমরা অন্তর্বর্তী সরকার। আমরা স্থায়ী সরকার নই। নিয়মিত সরকার পাঁচ বছরের হয়। নতুন সংবিধানে সরকারের মেয়াদ সম্ভবত চার বছর হতে পারে। কারণ, মানুষ সরকারের মেয়াদ কম চায়। সুতরাং এটা চার বছরের কম হওয়া উচিত, এটা নিশ্চিত। এটা আরও কম হতে পারে। এটা পুরোটা নির্ভর করছে মানুষ কী চায়, রাজনৈতিক দলগুলো কী চায় তার ওপরে। যদি রাজনৈতিক দলগুলো চায় এটা (সংস্কার) ভুলে যাও, নির্বাচন দাও। তাহলে সেটা করা হবে।’

তাহলে অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান হিসেবে তিনি চার বছর থাকছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমি তা বলিনি যে চার বছর। আমি বলেছি, এটা সর্বোচ্চ মেয়াদ হতে পারে। তবে আমাদের উদ্দেশ্য তা নয়। আমাদের উদ্দেশ্য যত দ্রুত সম্ভব শেষ করা।’

চলমান সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, পুরো সরকারব্যবস্থা সংস্কার হবে। মানুষ নতুন কিছু চায়। সেখানে সব ক্ষেত্রে সংস্কার হবে। এমনকি সংবিধানও সংস্কার হচ্ছে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন সংস্কার কমিশন করার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দুটো প্রক্রিয়া একসঙ্গে চলছে নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং সব সংস্কার শেষ করার প্রস্তুতি।

ছাত্র জনতার আন্দোলনের মুখে দেশ ছেড়ে যাওয়া শেখ হাসিনার প্রসঙ্গও উঠে এসেছে সাক্ষাৎকারে। প্রশ্নের জবাবে ড. ইউনূস বলেছেন, তিনি বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন। সেখান থেকে বাংলাদেশে বিক্ষোভের ডাক দিচ্ছেন। এগুলো বাংলাদেশের জন্য উপকারী নয়। তাই ভারতের কাছে তারা এসব বিষয়ে বলছেন। তাকে আশ্রয় দিচ্ছে, ঠিক আছে। কিন্তু এমনটা হতে থাকলে তাদের কাছে আবার অভিযোগ করা হবে।

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না, সে প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আইনি প্রক্রিয়া চলছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তার প্রত্যাবর্তন চাওয়া হবে।

ভারতের সঙ্গে মিলে অভিন্ন নদীগুলোর পানি ব্যবস্থাপনা করতে চান বলে উল্লেখ করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত ১৬ বছরে দুর্নীতির নিমজ্জিত ছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে দেশকে বের করে চেষ্টা করছে তার সরকার।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

বর্তমান মজুত গ্যাসে ১২ বছর চাহিদা মেটানো সম্ভব
দূরপাল্লার বাসে ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব
হামের উপসর্গ নিয়ে চারজনের মৃত্যু
এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ
এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
ম্রো জনগোষ্ঠীর প্রথম শিক্ষার্থী য়াপাও ম্রো।
১২ বছর পর সালমানকে ‘হ্যাঁ’ বললেন প্রীতি!
‘তামিম শতভাগ দিয়ে বোর্ডকে গর্বিত করতে পারবে’
গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে গ্রেপ্তার ৬৯
এনসিপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন
প্রেমে মজেছেন সিডনি সুইনি!
সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু
হামে আরও চার শিশুর মৃত্যু
নীরবতা ভেঙে কঠিন যে হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা
আবারো হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারি
‘বিগত দুই সরকারের সময় ঠিকমতো হামের টিকা না দেওয়া ক্ষমাহীন অপরাধ’
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২ জুলাই থেকে শুরু
সৌদি আরব পৌঁছেছে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট
বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন
সরকারের দুই মাস পূর্তি উপলক্ষে আজ সংবাদ সম্মেলন

ফটোগ্যালারী

[custom_gallery]

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.