মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাব মুখের ওপর না করে দিয়েছে জাপান ও অস্ট্রেলিয়া। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের নিরাপত্তায় ট্রাম্পের আহ্বানের জবাবে দেশ দুটি জানিয়েছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যে নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠাবে না।
গেল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এরপরই পুরো মধ্যপ্রাচ্য অস্থির হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়ায় বিশ্বের জ্বালানির বাজারে অনিয়ন্ত্রিত হয়ে যায়।
এমতাবস্থায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যেতে মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানান ট্রাম্প। শুধু মিত্রদের প্রতিই নয়, শত্রু দেশ চীনের প্রতিও একই ধরনের আহ্বান জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এছাড়া ন্যাটোকে সতর্ক করে দিয়ে ট্রাম্প জানান, এ বিষয়ে তার কথা না শুনলে খুব খারাপ হবে। এরই মধ্যে দুই মিত্র দেশ জাপান ও অস্ট্রেলিয়া মুখের ওপর ট্রাম্পকে না করে দিলো।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সোমবার বলেন, যুদ্ধ পরিত্যাগের নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি তাদের সংবিধানের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে জাহাজ পাহারা দেয়ার জন্য নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা নেই তাদের।
দেশটির পার্লামেন্টে তাকাইচি বলেন, জাহাজ পাঠানোর বিষয়ে আমরা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি। জাপান স্বাধীনভাবে কী করতে পারে এবং আইনগত কাঠামোর মধ্যে কী করা সম্ভব—তা আমরা পর্যালোচনা করে যাচ্ছি।
যুক্তরাষ্ট্রের আরেক গুরুত্বপূর্ণ ইন্দো-প্যাসিফিক মিত্র অস্ট্রেলিয়াও জানিয়েছে, তাদের কাছে এ ধরনের কোনো অনুরোধ করা হয়নি এবং তারা হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলতে সহায়তার জন্য নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠাবে না।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজের মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাথরিন কিং রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আমরা জানি এটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এ বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো অনুরোধ করা হয়নি এবং আমরা এতে অংশও নিচ্ছি না।








