মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, ৮ জিলহজ ১৪৪৭, গ্রীষ্মকাল

একটি দল ১৭ মাস ধরে ফ্যাসিবাদ কার্যক্রম চালাচ্ছে

কলিকাল প্রতিনিধি

ক্ষমতায় না থেকেও গত ১৭ মাসে একটি রাজনৈতিক দল খুনি হাসিনার ১৭ বছরের শাসনের মতোই ফ্যাসিবাদী কার্যক্রম চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। তিনি বলেন, পাড়ার দোকান থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত চাঁদাবাজি ও দখলবাজির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া মজুমদারের শাপলা কলি প্রতীকের সমর্থনে সেনবাগ উপজেলার সেবারহাট বাজারে আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

আসিফ মাহমুদ বলেন, আমরা ১৭ বছর ধরে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদ দেখেছি। কিন্তু ক্ষমতায় না এসেই গত ১৭ মাসে আরেকটি দল একই ধরনের ফ্যাসিবাদী আচরণ প্রদর্শন করেছে। তারা কীভাবে পাড়ার দোকান থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে চাঁদাবাজি করেছে এবং মানুষের হক মেরে মেহনতি জনগণকে নির্যাতন করেছে, তা দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে।

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে এনসিপির এ মুখপাত্র বলেন, বিগত ১৭ বছরে হাজারো মায়ের বুক খালি হয়েছে। সর্বশেষ চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে প্রায় চৌদ্দশ ছাত্র-জনতা জীবন দিয়েছে। মুক্তিকামী মানুষ স্বাধীনতার জন্য জীবন দিতে পিছপা হয়নি। তাই ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্ধারণে একটি ভোট দিতেও জনগণ পিছপা হবে না।

তিনি বলেন, এ দলটি ক্ষমতায় গেলে কী করতে পারে, তার নমুনা তারা গত ১৭ মাসেই রেখে দিয়েছে। বিষয়টি না বুঝলে বিগত ১৭ বছরের মতো আবারও দেশের জন্য অন্ধকার দিন অপেক্ষা করছে।

সংস্কার প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদ বলেন, তারা দাবি করে মানুষ সংস্কার বোঝে না, পেটে ভাত না থাকলে সংস্কার অর্থহীন। কিন্তু জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের অধিকাংশই ছিলো খেটে খাওয়া মানুষ। পেটে ভাত না থাকলেও তারা স্বৈরাচার উৎখাতে রাজপথে নেমেছে। এ মানুষই উন্নয়ন, অগ্রগতি, সমৃদ্ধি ও প্রকৃত সংস্কারের অর্থ সবচেয়ে ভালো বোঝে।

বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ইতিহাস এখন শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ। বাস্তবে তার প্রতিফলন নেই। ব্যাংক খেলাপি ও ঋণ খেলাপিদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, যারা আবার ক্ষমতায় এসে জনগণের অর্থ লুটের অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি প্রশ্ন রাখেন, ঋণ খেলাপি ও বিদেশি নাগরিকদের ভোট দিয়ে জনগণ কি নিজেদের ওপর শাসন চাপিয়ে দেবে?

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসিফ মাহমুদ বলেন, সেনবাগ এলাকাতেও পেশিশক্তি দিয়ে ভোটকেন্দ্র দখলের হুমকি দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষ টানা তিনটি নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। এ নির্বাচনে একজন নাগরিককেও যদি ভোট দিতে বাধা দেয়া হয়, তাহলে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। কোনও নাগরিক এবার ভোট না দিয়ে কেন্দ্র থেকে ফিরে যাবে না।বাংলাদেশ ভ্রমণ

উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আবুল খায়েরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ও এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখ্য সমন্বয়কারী তরিকুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা সাইয়েদ আহমেদ, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ইয়াছিন করিম, নায়েবে আমির আবদুল খালেক, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমীন, যুগ্ম সদস্য সচিব নিজাম উদ্দিন এবং প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া মজুমদারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

কালশী বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে
হামের উপসর্গ নিয়ে ১৭ জনের মৃত্যু
ঈদের ছুটির পর রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু
পশ্চিমবঙ্গের পর উত্তর প্রদেশেও কুরবানিতে নতুন নির্দেশনা
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ
সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী
এলেঙ্গায় রড বোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ১৭ জন নিহত
বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের সংবাদ সম্মেলন
বিশ্বকাপ ফুটবলের থিম সং প্রকাশ
২৯ কার্যদিবসে শিশু ধর্ষণ মামলার রায়, যুবকের মৃত্যুদণ্ড
হামে প্রাণ গেলো আরও ১৬ শিশুর
যেভাবে বানাবেন খাসির মাংসের কালাভুনা
বিয়ে করলেন কঙ্গনা!
রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবী নিয়োগ
জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করবেন প্রধানমন্ত্রী
রামিসা হত্যার ঘটনায় অভিযোগ গঠনের শুনানি ১ জুন
এলপিএলের ড্রাফটে ৪৮ বাংলাদেশি ক্রিকেটার
রাফসানের সঙ্গে আমিই প্রথম যোগাযোগ করি: জেফার
নকলায় কুরবানি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বিতর্ক প্রতিযোগিতা
কক্সবাজার আদালত চত্বরে প্রকাশ্যে গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ২

ফটোগ্যালারী

[custom_gallery]

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.