আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। এর আগে তার মনোনয়ন রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বাতিল হলেও, তিনি নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে তার প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। আপিল শুনানিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনার উপস্থিত ছিলেন। তারা জানান, প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
তাসনিম জারা জানান, তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন। কারণ, মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল অন্যায় কারণে। নির্বাচন কমিশনের এই বৈধ ঘোষণার মাধ্যমে তিনি আবারো নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তাসনিম জারা যেহেতু ঢাকা-৯ আসনের এক শক্তিশালী স্বতন্ত্র প্রার্থী, তাই তার প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার সিদ্ধান্ত নির্বাচনী মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষত রাজধানীর এই আসনে ভোটারদের মধ্যে প্রার্থীর জনপ্রিয়তা বেশি।
এই আপিলের ফলে ঢাকা-৯ আসনের নির্বাচনী পরিসর আরও উজ্জ্বল হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের কাছে স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগত বলে মনে হচ্ছে।
ডা. তাসনিম জারা বলেন, আমার নির্বাচনী যোগ্যতা ফিরে পাওয়ায় আমি নির্বাচনে আমার ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতে পারব। আমি ভোটারদের আস্থা ও সমর্থন ধরে রাখতে চাই এবং দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ করতে চাই।
রাজধানীর নির্বাচন কেন্দ্রগুলোতে এখন থেকে প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার পর প্রার্থীকে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব নথি ও অনুমতি দেওয়া হবে।
এবারের ঢাকা-৯ আসনের নির্বাচনকে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বলে উল্লেখ করছেন। ডা. তাসনিম জারার অংশগ্রহণে ভোটারদের মধ্যে উত্তেজনা ও আগ্রহ আরও বেড়ে যাবে।
নির্বাচন কমিশন সচিব বলেন, কমিশন সর্বদা নিশ্চিত করে যে প্রার্থীরা সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনে অংশ নিতে সক্ষম। ডা. তাসনিম জারার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার মাধ্যমে এই নীতির পুনরায় প্রমাণ পাওয়া গেছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, তাসনিম জারা প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে। ঢাকা-৯ আসনের ভোটাররা প্রার্থী ও তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির দিকে এখন আরও মনোযোগী হয়ে উঠবেন।














