নেপালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সরকার পতনের পর বিশৃঙ্খলা আর লুটতরাজ বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেল।
সেনাপ্রধানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছেন আন্দোলনের নেতারা।
জানা গেছে, জেন-জি প্রজন্মের বিক্ষোভে ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ে কে পি শর্মা ওলি প্রধানমন্ত্রিত্ব আর দেশ ছাড়ার পরও পরিস্থিতি শান্ত হয়নি।
সেনাপ্রধানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারীরা আজ বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) বৈঠকের ইতিবাচক ইঙ্গিত দিলেও আপত্তি জানিয়েছেন কাঠমান্ডুর মেয়র।
যদিও, প্রেসিডেন্টের দফতর থেকে জানানো হয়, নতুন সরকার গঠনের আগ পর্যন্ত সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলির মন্ত্রিসভা দায়িত্ব পালন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের পর খোদ রাজধানী কাঠমান্ডুতে মারধোরের শিকার হন একাধিক মন্ত্রী। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝালানাথ খানালের বাড়িতে আগুন দেওয়া হলে ভেতরে আটকে মারা যান তার স্ত্রী।
খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল আর নেপালি কংগ্রেস জোট সরকারের অনেক নেতার। খোদ কাঠমান্ডুতে আত্মসমর্পণের পরও হত্যা করা হয় অন্তত তিন পুলিশ সদস্যকে। আগুন দেওয়া হয় পার্লামেন্ট ভবন, সুপ্রিম কোর্ট, প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্টের বাসভবনসহ সরকারি বেসরকারি স্থাপনায়।
জেল থেকে পালিয়েছে দেড় হাজারের বেশি কয়েদি। এই খবরে উত্তর প্রদেশ ও বিহার সীমান্ত বন্ধ করেছে ভারত।








