মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩, ৩ জিলকদ ১৪৪৭, গ্রীষ্মকাল

গণতন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে, পশ্চিমা সভ্যতা ধ্বংসের পথে : মাহাথির মুহাম্মাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আধুনিক মালয়েশিয়ার জনক মাহাথির মুহাম্মাদ।

শততম জন্মবার্ষিকীতে তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি গণতন্ত্র, গাজ্জায় ইসরাইলি গণহত্যা এবং পশ্চিমা সভ্যতার নৈতিক পতন নিয়ে খোলামেলা বক্তব্য দিয়েছেন।

তিনি বলেন, “গণতন্ত্র মানুষের তৈরি একটি পদ্ধতি, এবং এটি নিখুঁত নয়। আপনি যদি এর সর্বোত্তম ব্যবহার করতে চান, তাহলে আপনাকে জানতে হবে কীভাবে এটি ব্যবহার করতে হয়।”

মাহাথির মুহাম্মাদগণতন্ত্রে বহুদলীয় ব্যবস্থার সমালোচনা করে বলেন, “গণতন্ত্রে দুইটি মাত্র দল থাকা উচিত। যখন দুটি দল একে অপরের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, তখন যেকোনো একটি জিততে পারে, আর তখন একটি শক্তিশালী সরকার গঠন সম্ভব হয়। কিন্তু সবাই নেতা হতে চায়, ফলে মানুষ ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এতে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা যায় না। এই কারণে অনেক ক্ষেত্রেই গণতন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে।”

গাজ্জায় চলমান ইসরাইলি আগ্রাসন প্রসঙ্গে মাহাথির বলেন, “সাধারণত, যখন আপনি এমন কোনো অন্যায় দেখেন, যেমন গাজ্জায় গণহত্যা, তখন আপনাকে তা থামানোর জন্য কিছু করতে হয়। কিন্তু এখানে আমরা তা থামাতে পারছি না, কারণ এই গণহত্যার পেছনে রয়েছে আমেরিকা, একটি পরাশক্তি।”

তিনি বলেন, “যে কেউ এই গণহত্যা থামাতে চায়, আমেরিকা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেয়। এটাই হচ্ছে পশ্চিমা সভ্যতার পতন।”

আধুনিক সভ্যতার মূল্যবোধ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে মাহাথির বলেন, “ভালো ও নৈতিক মূল্যবোধ হারিয়ে গেছে। তারা এমন পর্যায়ে নেমে গেছে, যা এখন আসলে অসভ্যতার পর্যায়ে পড়ে। আমাদের আধুনিক সভ্যতা ব্যর্থ হয়েছে। আমি বলব, আমরা আবার আদিম অবস্থায় ফিরে গেছি, যদিও নিজেদের সভ্য দাবি করি।”

গাজ্জায় ইসরাইলি আগ্রাসনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়েও তীব্র সমালোচনা করেন মাহাথির। তিনি বলেন, “আজ আমরা জানি, যুক্তরাষ্ট্র মানবাধিকার কিংবা মানুষের জীবন নিয়ে চিন্তিত নয়। তারা বিশ্বে অনুকরণীয়ও নয়।”

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন জমার শেষ দিন আজ
বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষার সূচনা
বুধবার সন্ধ্যা থেকেই ইরানে আবারও সামরিক অভিযান শুরু
ভারত ও রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ: বাণিজ্যমন্ত্রী
মন্ত্রীদের প্রটোকল দিতে ডিসি-এসপিদের নতুন নির্দেশনা
এবার সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত জোট প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ
শেরপুরের মেয়ে সানসিলা সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন
হরমুজে ইরানের পতাকাবাহী জাহাজ জব্দ, প্রতিশোধের ঘোষণা তেহরানের
বিএনপির মনোনয়ন পেলেন ‘মায়ের ডাক’র তুলি
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যারা
প্রেমিকের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী হচ্ছেন জ্যাকুলিন!
বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, কখন কী করবেন, জেনে নেয়া যাক
বোলিংয়ে বাংলাদেশ
বর্তমান মজুত গ্যাসে ১২ বছর চাহিদা মেটানো সম্ভব
দূরপাল্লার বাসে ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব
হামের উপসর্গ নিয়ে চারজনের মৃত্যু
এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ
এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
ম্রো জনগোষ্ঠীর প্রথম শিক্ষার্থী য়াপাও ম্রো।
১২ বছর পর সালমানকে ‘হ্যাঁ’ বললেন প্রীতি!

ফটোগ্যালারী

[custom_gallery]

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.