ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় ফের জিম্মি ও বন্দি বিনিময় করেছে ইসরায়েল ও গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাস। এর ফলে পাঁচ দফায় মুক্তিপ্রাপ্ত ইসরায়েলি জিম্মির সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৮। পাশাপাশি ইসরায়েলের বিভিন্ন কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন ৫৫০ বন্দির বেশি।
সবশেষ তিন ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। শনিবার ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে বন্দি বিনিময়ের পঞ্চম ধাপে মধ্য গাজার দেইর-আল বালাহ এলাকার একটি স্থান থেকে মুক্তি দেয়া হয়েছে তাদের। এদিন মুক্তিপ্রাপ্তরা হলেন এলি শারাবি, ওর লেভি ও ওহাদ বেন আমি।
৮ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) স্থানীয় সময় সকালে তাদেরকে আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা রেডক্রস কমিটির সদস্যদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। এই তিন জনের বিনিময়ে ইসরায়েল তাদের কারাগার থেকে ১৮৩ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে। তাদেরকে বহনকারী বাসটি অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লায় এসে পৌঁছেছে।
মুক্তিপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সাতজনকে রামাল্লাহর কয়েকটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সাত ফিলিস্তিনিকে মিশরে পাঠানো হবে। সেখান থেকে তারা ভিন্ন কোনো দেশে যাবেন। মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনিদের মধ্যে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ হামাসকর্মী রয়েছেন। ২০০০ সালের দিকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা অংশ নেয়ার অপরাধে হামাসকর্মী ইয়াদ আবু শাখদাম প্রায় ২১ বছর কারাবন্দি ছিলেন।
এদিকে, ১৬ মাস আটক থাকার পর মুক্তি পাওয়া তিন ইসরায়েলিকে ছবিতে ‘দুর্বল’ দেখা গেছে বলে অভিযোগ করেছে তেলআবিব। এ বিষয়টিকে উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করেছে জিম্মি উদ্ধারে সংক্রিয় সংগঠন হোস্টেজেস অ্যান্ড মিসিং ফ্যামিলিস ফোরাম। দ্রুত অন্য সব জিম্মিদের মুক্ত করার দাবি জানিয়ে সংগঠনটি।







