নটরডেম, আদমজী ও ভিকারুননিসা-সহ বেসরকারি সকল কলেজে মুক্তিযোদ্ধা কোটা অনুসরণ করাতে চায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি অহিদুল ইসলাম তুষার।
এজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নীতিমালা-২০২৪ অনুযায়ী চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকে যথাযথ ভাবে ৫% মুক্তিযোদ্ধা কোটা অনুসরণ এবং শিক্ষা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র বা আদেশ অনুযায়ী ভর্তিকৃত মুক্তিযোদ্ধা কোটার প্রার্থীদের বিনাবেতনে অধ্যয়নের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিকভাবে দেশসেরা নিম্নোক্ত ১৫ বেসরকারি নটরডেম কলেজ, আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ, ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ, হলিক্রস কলেজ, সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মাইলস্টোন কলেজ, আইডিয়াল কলেজ, নৌবাহিনী কলেজ, ন্যাশনাল আইডিয়াল কলেজ, ঢাকা সিটি কলেজ, বিএএফ শাহীন কলেজ, নটরডেম কলেজ ময়মনসিংহ, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ ময়মনসিংহ-কে গতকাল (২৩ মে/২০২৪) ইং তারিখে চিঠি দেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি অহিদুল ইসলাম তুষার।
তিনি বলেন– ‘চলতি শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ৫% মুক্তিযোদ্ধা কোটা অনুসরণ এবং বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুবিধা দিতে প্রাথমিকভাবে ১৫টি বেসরকারি কলেজকে চিঠি দিয়ে অবহিত করেছি এবং পর্যায়ক্রমে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হবে। যদি কর্তৃপক্ষ যথাযথভাবে ৫% মুক্তিযোদ্ধা কোটা অনুসরণ এবং বিনাবেতনে অধ্যয়নের সুযোগ প্রদান না করে থাকে তাহলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে নিবন্ধন বাতিলের জন্য আবেদন করবো।’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে অহিদুল ইসলাম বলেন একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নীতিমালা-২০২৪ এর ৩.২ অনুচ্ছেদে যথাযথভাবে সরকারি ও বেসরকারি কলেজে ৫% মুক্তিযোদ্ধা কোটা অনুসরণের কথা বলা হয়েছে এবং ২০০৫ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ২০০৮/ ২০২৩ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একাদিক আদেশে ৫% কোটা ও বিনা বেতনে অধ্যয়নের কথা বলা হয়েছে কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই বেসরকারি স্কুল ও কলেজ কর্তৃপক্ষ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে সুযোগ সুবিধা দিতে অনিহা, তারা এ সংস্কৃতি থেকে অনেক দূরে।
চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকে একাদশ শ্রেণিতে ৫% মুক্তিযোদ্ধা কোটা যথাযথভাবে অনুসরণ করছে কিনা প্রতিটি জেলা উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা /সন্তান ও প্রজন্মকে খোঁজ খবর রাখার অনুরোধ করেন অহিদুল ইসলাম এবং কোথাও যদি তার ব্যত্যয় ঘটে তাহলে মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী এবং শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মহোদয় বরাবর কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করার অনুরোধ করেন তিনি।
‘নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের রাষ্ট্র প্রদত্ত সুবিধা দিতে অনিহা দুঃখজনক এবং রাষ্ট্রের আইনকানুন নীতিমালা না মেনে যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলছে তাদের বিরুদ্ধে এবার লিখিত অভিযোগ দেবো’– মি. অহিদুল যোগ করেন।








