সড়কে মৃত্যুর মিছিলে ম্লান ঈদের আনন্দ। সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টায় সড়কে ঝরেছে ৬১ প্রাণ। যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্যে, গত ঈদেও ৩৭৭ দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ৩৯৪ জন। এর মধ্যে শুধু সড়কেই মৃত্যু হয়েছে ৩৪৬ জনের। এবারের ঈদযাত্রায় ঘটছে না এর ব্যতিক্রম।
শত উদ্যোগ ও কড়া নজরদারির মধ্যেও কেন নিয়ন্ত্রণে আসছে না পরিস্থিতি, সেই প্রশ্নই ছিল পুলিশ কর্মকর্তার কাছে।
কুমিল্লা জোনের হাইওয়ে পুলিশ এসপি শাহিনুর আলম খান জানান, দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য আমরা বলে থাকি, আমাদের সড়কের যেই প্রটোকল, সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন থাকতে হবে। ইতিমধ্যে মালিক ও শ্রমিকদের জানানো হয়েছে আন-অথরাইজড ভেহিক্যাল, আনফিট গাড়ি যেন রাস্তায় বের না করে। আর যাত্রীরাও যেন সচেতনভাবে যানবাহনে চলাচল করে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকা ও তদারকির অভাবেই অবনতি হচ্ছে পরিস্থিতির। দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে অতি মুনাফা লোভে সড়কে ফিটনেসহীন গাড়ি নামানো, অতিরিক্ত যাত্রী তোলার কথাও সামনে এনেছে তারা।
যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ সাইফুন নেওয়াজ জানান, আমাদের রোডের কন্ডিশন, চালকের টাইম স্কেজিউলের যেই অবস্থা এবং ভেহিকেলের যেই কন্ডিশন সেই হিসেবে যখনই ঈদকে কেন্দ্র করে মুভমেন্ট বেরে যায়, তখনই দুর্ঘটনা বেরে যায়। রাস্তায় কিছু ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থাকে, সেই সঙ্গে আমাদের ভেহিকেলগুলো ওভার লোডেড থাকে, চালকদের ওভার ডিউটি করে ফ্যাটিগনেস চলে আসে। সেই সঙ্গে ওভার স্পিডিং এর একটা ব্যাপার থাকে। রোডের এসব কারণের সঙ্গে যুক্ত হয় বিভিন্ন গতির গাড়ি।
প্রতি ঈদেই সড়কে ঘটে প্রাণহানি, কান্নায় ভেসে যায় ঈদের উৎসব। তারপরও বদলায় না চিত্র। তাই এ অবস্থার শেষ কোথায়?








