জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিস্তারিত নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের আগে-পরে সাত দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে।
এছাড়া নির্বাচনকে সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে অপতথ্য নিয়ন্ত্রণে ভোটের আগে ও পরে মোট সাত দিন মনিটরিং সেল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পূর্ণাঙ্গভাবে কাজ করবে।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ইসির উপসচিব (নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখা) মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা বিশেষ পরিপত্র জারি করে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সব দল ও প্রার্থী যাতে নির্বিঘ্নে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে এবং ভোটাররা নিরাপদে ভোট দিতে পারেন তা নিশ্চিত করা হবে। তাছাড়া ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী; প্রিজাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও নিরাপত্তা দেওয়া হবে। এজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকবে।
ইসি জানায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাঠামো অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নির্বাচনের আগে-পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বাহিনী ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। মাঠপর্যায়ে রিটার্নিং অফিসার ও প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রয়োজন অনুযায়ী অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সহায়তা দেওয়া হবে।
পরিপত্রে বলা হয়, নির্বাচনের সময় কেন্দ্র ভিত্তিক বাহিনী মোতায়েন থাকবে। তাছাড়া চেকপোস্ট, মোবাইল টহল ও আভিযানিক দল এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স কার্যকর থাকবে। নির্বাচনের আগে চারদিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পর দুইদিন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা ও অপতথ্য মনিটরিং সেল পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার, গুজব ও অপতথ্য রোধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে অতিরিক্ত নিরাপত্তা, সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে কাভারেজ এবং বডি ক্যামেরার মাধ্যমে লাইভ পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করা হবে।








