খাগড়াছড়িতে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছে অবরোধকারীরা। তবে কোনো সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি। রাঙামাটি ও বান্দবানে অবরোধের মধ্যে জনজীবন স্বাভাবিক ছিলো। অফিস-আদালতে কাজকর্ম হয়েছে। যানবাহনও চলেছে। নিরাপত্তার কারণে বাস না ছাড়ায় সাজেকে এখনও আটকে পনেরশ’ পর্যটক।
খাগড়াছড়িতে চোর সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার জেরে সহিংসতার পর রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। তবে খাগড়াছড়িতে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক কাটেনি। বেলা বাড়ার সাথে সাথে অবরোধকারীরা খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি গিরি মৈত্রী কলেজ সড়কের সামনে জড়ো হয়ে বাঁশ ও টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
‘বিক্ষুব্ধ জুম্ম ছাত্র-জনতার’ ব্যানারে সড়ক ও নৌপথে অবরোধ কর্মসূচির মধ্যেও রাঙ্গামাটি শহরে দোকানপাট খোলে সকাল থেকেই। স্কুল-কলেজ অফিস আদালত ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলেছে। হাট-বাজারে পাহাড়ী-বাঙালির সরব উপস্থিতি চোখে পড়ে। অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার বাসও ছেড়েছে। বান্দরবানে অবরোধের কোন প্রভাব নেই।
এদিকে সাজেকে এখনও আটকা পড়ে আছে দেড় হাজার পর্যটক। নিরাপত্তা জনিত কারণে তাদের গাড়ি ছাড়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের টহল বহাল আছে।








