ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গুলিতে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে নিহত হয়েছে ৬৪৪ জন। এসময়ে আহত হয়েছে ১৯ হাজার ৫৫৩ জন।
আজ সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম বা এমআইএস শাখা আন্দোলনে আহত ও নিহতদের এই তালিকা তৈরি করছে। সারাদেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল থেকে তথ্য নিয়ে করা এ তালিকা নিয়মিত হালনাগাদ করা হচ্ছে।
প্রতিবেদন তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে অন্তত ৪৬১ জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে মৃত অবস্থায়। বাকি ১৮৩ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
এই আন্দোলনে হতাহতদের তালিকা তৈরি করতে গত ১৫ আগস্ট স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি কমিটি গঠন করে। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির এই কমিটির প্রধান।
এই কমিটির তত্ত্বাবধানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস শাখা তালিকাটি তৈরি করে। কমিটি বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ে তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়।
সোমবার প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, আহতদের মধ্যে ১৬ হাজার ৫৫৯ বেশি মানুষ সারা দেশে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। ২ হাজার ৯৯৪ জন চিকিৎসা নিয়েছেন বেসরকারি হাসপাতালে।








