জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ড. ইউনূস লন্ডনে সিজদা দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার বেচে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, একটা সরকার পরিচালিত হবে পল্টন থেকে, গুলশান থেকে, গণভবন থেকে এটা হতে পারে না। যদি আগে সমঝোতা করি তাহলে মধ্যরাতের নির্বাচনে মধ্যে পার্থক্য কি? সমঝোতার নির্বাচন চাই না, জনগণ নেতা নির্বাচন করবে।
শনিবার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণপরিষদ নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনায় এসব কথা বলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
এনসিপিকে সংসদীয় আসনের ভাগ দিয়ে কেনা যাবে না বলেও মন্তব্য করেছেন দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য এ সমন্বয়ক। হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, যেসব কারণে জুলাই অভ্যুত্থান হয়েছে, সেগুলো সঙ্গে নিয়ে আবারও সরকার গঠন করা হলে কঠিন গণপ্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে।
অভিযোগ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আওয়ামী লীগ বাহাত্তরের সংবিধান দিয়ে সব অপরাধের বৈধতা দিয়েছে। আমাদের দুর্ভাগ্য যে অভ্যুত্থানের পর আমরা মিলিটারি, প্রশাসন ও মিডিয়ার সংস্কার করতে পারিনি।
তিনি বলেন, ১০০ কোটি টাকার বেশি খরচ করে নির্বাচিত হবেন। ওসি, ইউএনও নির্বাচন করে দিত। এমন হতে দেব না। আম্পায়ারের জায়গায় প্রশাসন খেলোয়ারের ভূমিকায় নেমেছে। ২২ জন মিলে একদিকে খেলছে। আগামীতে তা হতে দেব না।
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, এনসিপিকে শত্রুজ্ঞান করে লাভ নেই। কেউ যদি আমাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলতে পারে, রাজনীতি থেকে ইস্তফা দেব।
নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, নির্বাচনের টাইমলাইন নিয়ে কিছু আসে-যায় না। নভেম্বর-ডিসেম্বর হলেও আপত্তি নেই। তবে ‘রুলস অব দ্য গেম’ বাতিল করে নির্বাচন করতে হবে। গণপরিষদ নির্বাচন করতে হবে।
জাতীয় নির্বাচনে আসন ভাগাভাগির বিষয়ে তিনি বলেন, আসন দিয়ে আমাদের কিনতে পারবেন না। আসনের জন্য বিক্রি হতে আসিনি। মিডিয়ায় চরিত্র হননের চেষ্টা করেও কিছু করতে পারেনি।








