‘কনগ্র্যাচুলেশনস মি. ডোনাল্ড ট্রাম্প, আমি শেখ হাসিনা, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলছি’ ।
জয়ের পর ট্রাম্পকে এভাবেই অভিনন্দন জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।
কিন্তু এ কথা স্বীকার করছে না আমেরিকা। টুঁ শব্দও করছে না ভারত। বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারও চুপ। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ এক রিপাবলিকান নেতা এক টিভি চ্যানেলকে বলেছেন– হ্যাঁ, ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ফোন এসেছিল। কথা হয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের পরই তাঁকে চিঠি লিখেও অভিনন্দন জানান শেখ হাসিনা। সেই চিঠি ই-মেলে ট্রাম্পের দফতরে পাঠানো হয়। চিঠিতে হাসিনা লিখেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বাংলাদেশের মানুষের তরফে আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।
পরে আওয়ামী লিগের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেটি পোস্ট করা হয়।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুথ্থানের পর দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প বাংলাদেশ নিয়ে কতটা কী করবেন, সেটা এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে ট্রাম্পের জয়ে ভারতে থাকা শেখ হাসিনা একটু ভরসা পেয়েছেন, তাতে সন্দেহ নেই। একইসঙ্গে তিনি যে দ্রুত বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরতে ইচ্ছুক, চিঠিতে সেটাও বুঝিয়ে দিয়েছেন।








