চাকরিপ্রত্যাশীদের দাবির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে মাথায় জাতীয় পতাকা বেঁধে রাজপথে নেমেছেন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) নেতা এবং অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। যদিও এরিমধ্যে, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আব্দুল মূয়ীদ চৌধুরীকে আহবায়ক করে একটি কমিটি গঠন করেছে সরকার। সাত দিনের মধ্যে এই কমিটি চাকরির বয়সসীমা নিয়ে পরামর্শ দেবে।
সোমবার রাজধানীতে চাকরিপ্রত্যাশীদের আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও পড়াশোনা শেষ করা বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ। তাদের সঙ্গে দেখা গেছে চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনকে। এ সময় চাকরিপ্রত্যাশীদের দাবি দ্রুত মেনে নেয়ার দাবিও জানান তিনি।
সকালে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার আন্দোলনে একাত্মতা পোষণ করে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, আপনারা ৩৫ করার দাবি মেনে নিন। কারও যদি চাকরির বয়স এক বছরও বাকি থাকে, তাহলেও সে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। কারণ আমি মনে করি এখানে বয়স মূল বিষয় না, একজন ছাত্র তার মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে তার চাকরি অর্জন করবে।
তিনি আরও যোগ করেন, আন্দোলনকারীরা তো চাকরির দাবিতে আন্দোলন করছে না, তারা কারও কাছে কোনও সহানুভূতি চায় না। তারা চায় শুধুমাত্র তাদের অধিকার। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমাদের সন্তানদের বৈষম্যের শিকার হতে হচ্ছে। আমরা আশা করবো, তাদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়া হবে।
ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে নতুন দেশ গড়ার পরও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ৩৫ দাবিতে রাস্তায় দাঁড়াতে হবে এমনটা আশা করিনি।








