সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩, ২ জিলকদ ১৪৪৭, গ্রীষ্মকাল

শেখ হাসিনা আদর্শ থেকে বিচ্যুত হবেন না : আইনমন্ত্রী

যৌক্তিক কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুনবেন। জনগণের যেটা ভালো হয় প্রধানমন্ত্রী সেটা করবে। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হবে না।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ঘৃণ্য ইমডেমনিটি আইন এবং জননেত্রীর কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

সেমিনারের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে “বিচারহীনতায় বাংলাদেশ : বেআইনি আইন ইনডেমনিটি ও কারারুদ্ধ জননেত্রী”। সেমিনারের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম। সেমিনারে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন ইক্যুমেনিক্যাল খ্রিষ্টান ট্রাস্ট (ইসিটি)।

আইনমন্ত্রী বলেন, আজকে ইনডেমনিটি আইনের ধারাবাহিকতায় আমরা কিন্তু এখন ছাত্রদের মুখে স্লোগানের কথা শুনছি। যারা আন্দোলন করছেন তারা যদি ‘আমি কে, তুমি কে, আমরা বাঙালি, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ এটা যদি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলতেন তাহলে আমি অবশ্যই বলতাম তারা সঠিক পথে আছে।

কোটা বাতিলের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ২০১৮ সালে কোটা বাতিল করেছেন। এরপরে ৭ থেকে ৮ জন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হাইকোর্টে মামলা করেছে। আজকে যারা কোটা আন্দোলন করছেন তারাতো হাইকোর্টে যায়নি! হঠাৎ একদিন যখন হাইকোর্টের রায়ের কথা পত্রিকায় বের হয়েছে তখন তারা আন্দোলনে নেমে পড়েছেন। পরবর্তীতে তারা হাইকোর্টে না গিয়ে রাস্তায় আন্দোলনে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে তারা আপিল বিভাগের কাছে গিয়েছে। তখন আপলি বিভাগ বলেছে, ‘সকল প্রতিবাদকারী কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদেরকে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে যেতে বলা হয়েছে। দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপাচার্য, প্রক্টর মহোদয়কে বলা হয়েছে তাদের শিক্ষার্থীদেরকে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে নিয়ে শিক্ষায় মনোনিবেশ করতে বলা হয়েছে। স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদকারী ছাত্রছাত্রীরা চাইলে আইনজীবীর মাধ্যমে তাদের বক্তব্য অত্র আদালতের সামনে তুলে ধরতে পারেন। আদালত মূল দরখাস্তটি বিবেচনা, নিষ্পত্তিকালে তাদের বক্তব্য বিবেচনায় নিবে।’ সর্বোচ্চ আদালত তাদেরকে এই আশ্বাস পর্যন্ত দিয়েছে। তারপরেও এই আন্দোলন করার কোনো প্রয়োজনীয়তা আছে? আন্দোলনের যে স্লোগান দেওয়া হয়েছে সে স্লোগান দেওয়ার কোন প্রয়োজনীয়তা থাকে?

তিনি আরও বলেন, একটা প্রশ্ন উঠেছে যে কোটাতো আদালতের বিষয় না, এটা সরকারের বিষয়। আদালতে যখন একটা জিনিস গেছে, তখন সরকারো আদালতের রায়ের জন্য অপেক্ষা করে। এরপরে সরকার একটা পদক্ষেপ গ্রহণ করে। কিন্তু শিক্ষার্থীরা আদালতের রায় পর্যন্ত অপেক্ষা করেনি। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতকে সম্মান করে সর্বোচ্চ আদালত যে রায় দেয় সেটা বিবেচনা করবো। আমরা সর্বোচ্চ আদালতকে পাস কাটাবো না।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

ভারত ও রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ: বাণিজ্যমন্ত্রী
মন্ত্রীদের প্রটোকল দিতে ডিসি-এসপিদের নতুন নির্দেশনা
এবার সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত জোট প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ
শেরপুরের মেয়ে সানসিলা সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন
হরমুজে ইরানের পতাকাবাহী জাহাজ জব্দ, প্রতিশোধের ঘোষণা তেহরানের
বিএনপির মনোনয়ন পেলেন ‘মায়ের ডাক’র তুলি
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যারা
প্রেমিকের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী হচ্ছেন জ্যাকুলিন!
বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, কখন কী করবেন, জেনে নেয়া যাক
বোলিংয়ে বাংলাদেশ
বর্তমান মজুত গ্যাসে ১২ বছর চাহিদা মেটানো সম্ভব
দূরপাল্লার বাসে ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব
হামের উপসর্গ নিয়ে চারজনের মৃত্যু
এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ
এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
ম্রো জনগোষ্ঠীর প্রথম শিক্ষার্থী য়াপাও ম্রো।
১২ বছর পর সালমানকে ‘হ্যাঁ’ বললেন প্রীতি!
‘তামিম শতভাগ দিয়ে বোর্ডকে গর্বিত করতে পারবে’
গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে গ্রেপ্তার ৬৯
এনসিপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন

ফটোগ্যালারী

[custom_gallery]

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১ 
কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.