রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২, ১৯ শাবান ১৪৪৭, শীতকাল

পল্টনে জামায়াতসহ আট দলের সমাবেশ আজ

কলিকাল প্রতিনিধি

ছবি : সংগৃহীত

জুলাই সনদের আইনি বাস্তবায়ন, নভেম্বরে গণভোট, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ পাঁচ দফা দাবিতে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি হিসেবে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর পল্টনে গণসমাবেশ করবে যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলনসহ আট দল। সমাবেশ সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

আজ পল্টন মোড়ে বেলা ১১টা থেকে শুরু হবে এই সমাবেশ।

এতে সভাপতিত্ব করবেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদ, নেজামে ইসলাম পার্টির আমির অধ্যক্ষ মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক চাঁন এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির রাশেদ প্রধানসহ আট দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখবেন।

গতকাল আট দলের নীতিনির্ধারকদের যৌথ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে পল্টনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কার্যালয়ে। বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, আমাদের আন্দোলনের চতুর্থ পর্ব শেষ হয়ে পঞ্চম পর্ব চলমান। গত ৬ তারিখ আমরা স্মারকলিপি দিয়েছি। একই সঙ্গে ১১ নভেম্বর আমরা গণসমাবেশ ঘোষণা করেছিলাম। আমরা জনগণের কিছু মৌলিক দাবি নিয়ে আন্দোলন করছি। এটা কোনো জোট নয়, এটা আন্দোলনের একটা প্ল্যাটফরম। বিএনপির সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা বলেছে, তারা জামায়াতের ডাকে সাড়া দেবে না। উনারা এটা প্রকাশ্যে বলে দিয়েছেন। আমরাও প্রকাশ্যে বলে দিলাম, উনারা আমাদের ডাকুক, আমরা অবশ্যই সাড়া দেব। আমরা আলোচনা এবং আন্দোলন উভয় চেষ্টা অব্যাহত রাখব।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, আমরা জনদুর্ভোগ সব সময় এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছি। এটা আন্দোলনের একটা চলমান কর্মসূচি। দুর্ভোগের কথা আমরা বিবেচনা করেছি। আমাদের কর্মসূচির সময় ২ থেকে ৪টা। ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা বিফলে গেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আলোচনা ভেস্তে যায়নি। আলোচনার মধ্যে একটি চার্টার তৈরি হয়েছে এবং স্বাক্ষরিত হয়েছে। মূলত সনদ নিয়ে নয়, সনদ বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গণভোট সংবিধানে ছিল, ফ্যাসিস্টরা বাদ দিয়েছে। যারা সংবিধানে গণভোট নেই বলে বলছেন, তারা ফ্যাসিস্টের কাজকে সমর্থন করছে। সংবিধানে পাঁচ বছর পর নির্বাচনের কথা আছে। তাহলে কি সংবিধান অনুযায়ী ২০২৬ সালে নির্বাচন হওয়ার কথা? বর্তমান সরকারও তো সংবিধান অনুযায়ী ক্ষমতা পায়নি। হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সমাবেশ থেকে দেশ ও জাতি একটি নির্দেশনা পাবে। সরকারও বার্তা পাবে। দাবি আদায় না হলে রাজধানী থেকে সারা দেশে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার চাইলে সংকট নিরসনে আদেশ জারি করতে ২৪-৪৮ ঘণ্টায় সেটি করতে পারে। তবে সরকার সেটি না করে কালক্ষেপণ করছে। গণভোট সংবিধানে নেই যারা বলেন, তারা ফ্যাসিবাদের অবস্থানকে সমর্থন করেন। এছাড়াও আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের জন্য বিএনপিকে আহ্বান জানান দলটি। তবে সংকট নিরসনে জামায়াতের ডাকে বিএনপি সাড়া না দিলেও, বিএনপি আলোচনার জন্য ডাকলে, আলোচনায় বসতে প্রস্তুত জামায়াত।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

ফটোগ্যালারী

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.