আলোচিত-সমালোচিত মডেল মেঘনা আলম। ২০২০ সালের মিস আর্থ বাংলাদেশ-এর মাধ্যমে শোবিজে যাত্রা শুরু করেন তিনি। কসম কেটে নিজেকে কুমারী দাবি করেছেন মডেল মেঘনা আলম।
রোববার (৩১ আগস্ট) নিজের সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে নিজেকে চরিত্রহীন বা লম্পট প্রমাণের যে কোনো অপচেষ্টা বন্ধের আহবান জানিয়েছেন এ মডেল। ওই পোস্টে মেঘনা নিজেকে কুমারীও দাবি করেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, আজ আদালতে আমি শপথ করেছি আমার জীবনে আমি কখনও কারো সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করিনি, এমনকি ঈসার সঙ্গেও নয়। আমাকে চরিত্রহীন বা লম্পট প্রমাণের যে কোনো অপচেষ্টা বন্ধ হোক।
মডেল মেঘনা আরও বলেন, আমাদের সমাজে মানুষ প্রায়ই ভুল করে, দাড়ি-জুব্বা-বোরখা দেখলেই মনে করে সেটিই পবিত্রতার প্রতীক। আর কোনো নারী খোলামেলা পোশাক পরলেই ধরে নেয় সে সহজলভ্য। কিন্তু বাহ্যিক চেহারা দিয়ে অন্তর বোঝা যায় না… আমি কোরআনের কসম খেয়ে বলছি, আমি কখনও সচেতন অবস্থায় কারও সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করিনি। আজ পর্যন্ত আমি কুমারী।
এ মডেল বলেন, শুধুমাত্র ক্ষমতাধর কারও সঙ্গে বিয়ে ভেঙে দেয়ার কারণে আমাকে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানি করা বন্ধ হোক। ইতিহাসে বারবার নারীকেই অগ্নিপরীক্ষা দিতে হয়, অথচ পুরুষ থেকে যায় প্রশ্নহীন, নিরাপদ ও অব্যাহতি-প্রাপ্ত।
উল্লেখ্য, গত ০৯ এপ্রিল রাতে মেঘনা আলমকে রাজধানীর নিজ বাসা থেকে আটক করে হেফাজতে নেয় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশ অনুযায়ী, পরদিন ১০ এপ্রিল রাতে আদালত এ মডেলকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৩০ দিন আটক রাখার আদেশ দেন। নির্দিষ্ট কারণ না জানিয়ে মেঘনা আলমের আটকের ঘটনা নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। পরে চাঁদাবাজি মামলায় মেঘনা আলমকে গ্রেফতার দেখানো হয়।








