বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৭, হেমন্তকাল

‘মিটফোর্ডে খুন কেনো, তারেক রহমান জবাব দে’– শ্লোগানে উত্তাল ঢাবি

কলিকাল প্রতিনিধি

ছবি : দৈনিক কলিকাল

পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের ৩ নম্বর ফটকে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনার বিচার চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা বলেন একটি দল গুম, খুন ও মব চালিয়ে যাচ্ছে। এটি চলতে দেয়া যাবে না। তাই আমরা তারেক রহমানের কাছে এর জবাব চাই।

শুক্রবার রাত ৮টায় এ বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে তারা রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে জড়ো হন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘অ্যাকশন অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন; যুবদলের অনেক গুণ, পাথর মেরে সোহাগ খুন; যুবদলের চাঁদাবাজরা, হুঁশিয়ার সাবধান; যুবদলের সন্ত্রাস, রুখে দেবে ছাত্রসমাজ; বিএনপির সন্ত্রাসেরা, হুঁশিয়ার সাবধান; আমার ভাই মরল কেন? তারেক রহমান জবাব দে; মিটফোর্ড খুন কেনো? তারেক রহমান জবাব দে; সারা দেশে সন্ত্রাস কেন? বিএনপি জবাব দে; জ্বালোরে জ্বালো আগুন জ্বালো’ ইত্যাদি বলে শ্লোগান দেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, মিটফোর্ডে চাঁদার জন্য ব্যবসায়ী সোহাগকে পাথর দিয়ে থেতলিয়ে নৃসংসভাবে হত্যা করেছে যুবদলের নেতাকর্মীরা। হত্যার পর তার লাশের ওপর বর্বর নৃত্য করেছে।

ঢাবি শিক্ষার্থী এবি জুবায়ের বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে আমরা দেশকে গোছানোর চেষ্টা করেছি। এই পথে একমাত্র বাধা হয়েছে একটি মাত্র দল। সোহাগ হত্যার ভিডিও আজ সামনে এসেছে। জাতীয়তাবাদী চাঁদাবাজ দলকে একজন ব্যবসায়ী চাঁদা দেয়নি বলে পাথর মেরে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। আমরা কী নতুন করে আবার প্রস্তর যুগে ফিরে গেলাম?

তিনি বলেন, সারা দেশে বিএনপির নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি, ধর্ষণ, খুন করছে। দেশ পরিণত হয়েছে চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্যে। বিএনপির নেতাকর্মী কর্তৃক হত্যা হওয়ার পর লন্ডন থেকে ফোন আসে ‘বোন, আমি তারেক বলছি।’

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, সোহাগ হত্যার কারণে আজকে যেমন ছাত্র বন্ধুরা প্রতিবাদ করছে। আওয়ামী লীগের সময়েও ঠিক এইভাবে প্রতিবাদ করত। বিএনপি নিজেদের দলের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারতেছে না। বিগত ১৬ বছর তারা মজলুম ছিল। কিন্তু মজলুম যদি এখন জালিম হয় আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠবে।

তিনি বলেন, আমরা এই চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের বিচার চাই। এই দশ মাসে বিএনপি একশ মানুষকে খুন করেছে। সব হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।

এ ঘটনায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছে তার পরিবার। পরে ২ জনকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

ফটোগ্যালারী

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.