মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১ পৌষ ১৪৩২, ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৭, শীতকাল

‘তাহসানের সঙ্গে বিচ্ছেদ মানতেই পারছিলাম না’

বিনোদন ডেস্ক

ছবি : সংগৃহীত

তারকা জুটি তারকা তাহসান খান ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। ভালোবেসে ২০০৬ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। পরে তাদের ঘর আলো করে আসে মেয়ে আইরা তাহরীম খান। ১১ বছরের দাম্পত্য জীবনে হঠাৎ করে বেজে ওঠে বিচ্ছেদের সুর। ২০১৭ সালের আনুষ্ঠানিকভাবে জনপ্রিয় এ তারকা জুটির বিচ্ছেদ হয়।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মিথিলা ৮ বছর আগের বিচ্ছেদ নিয়ে কথা বলেছেন। সেখানে আক্ষেপের সুর শোনা যায় তার কণ্ঠে। মিথিলা জানান, বিচ্ছেদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে প্রায় দুই বছর আলাদা ছিলাম। এ সময় তাহসানের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়াটা মানতেই পারছিলেন না তিনি।

বিচ্ছেদের ৮ বছর পর ওই পডকাস্ট অনুষ্ঠানে মিথিলা বলেন, তাহসানের সঙ্গে সেপারেশনে থাকার সময় ভেবেছিলেন শেষ পর্যন্ত হয়তো বিচ্ছেদ হবে না, সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঠিক হয়নি।

তিনি বলেন, যে কোনো বিচ্ছেদ বা যে কোনো সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া সহজ না খুবই কঠিন। বন্ধু বা এটা যে কোনো ক্ষেত্রে হতে পারে। আমি ছিলাম তখন অনেক অল্পবয়সী এবং তরুণী মা। আমি যে কোনো একটা ভালো মন্দ বিচার করবো বা কোনো একটা সিদ্ধান্তে আসবো, সেটার শক্তিই আমার ছিল না। কারণ আমার একটা ১ বছরের বাচ্চা। আমার মানসিক অবস্থা ভালো ছিল না, যেখানে আমি কোনো একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারবো নিজের জীবনের।

এ অভিনেত্রী জানান, ২৩ বছর বয়স থেকে আমি আমার জীবনকে একভাবে ভেবে এসেছিলাম। হঠাৎ করে জীবনটা সম্পূর্ণভাবে পরিবর্তন হয়ে গেছে। আমি আমার শ্বশুরবাড়ির মানুষদের সঙ্গে থেকেছি। একে তো আমার বাচ্চা আছে, তারপর আমি জানলাম সে জায়গাটা আমার ভবিষ্যত না। আমি তখন চাকরি করতাম, কিন্তু আমার একটা গাড়িও ছিল না। আমার তো অভ্যাস ছিল গাড়িতে করে বাইরে যাওয়ার, আমার বাচ্চার অভ্যাস ছিল গাড়িতে চড়ার।

মিথিলা বলেন, মেয়েদের নিজেদের আসলে জায়গা থাকে না। শ্বশুরবাড়ি আবার বাবার বাড়ি, থ্যাঙ্কফুলি এখন আমার নিজের জায়গা আছে। মেয়েদের সবার আগে যেটা দরকার সেটা হলো অর্থনৈতিক স্বাধীনতা। এ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া জীবনের অন্য সব সিদ্ধান্ত নেয়া কঠিন হয়।

তিনি ভেবেছিলেন হয়তো শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদ হবে না, সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু সেটা বিচ্ছেদেই গড়ায়। মিথিলা বলেন, এখন হয়তো মেয়েরা অনেক বেশি সিদ্ধান্ত নিতে পারছে। কারণ এখন মেয়েরা অনেক বেশি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা পাচ্ছে। আমাকে ছোটবেলা থেকে মা বলেছে যা-ই করো নিজের পায়ে দাঁড়াবে। ফলে বিয়ের পরেও আমি আমার পড়াশোনা, চাকরি সব চালিয়ে গেছি।

তিনি বলেন, তবে সেসময় আমি অর্থনৈতিকভাবে অতটা স্বাধীন ছিলাম না যে একা একা অতটা ভাবতে পারবো, বাচ্চা মানুষ করতে পারবো। সেটার জন্য সময় লেগেছে। ২০১৫ সালে আমরা সেপারেশনে গেছি। তারপরে আরও দু বছর গেছে। আমি অপেক্ষা করেছি, ভেবেছি যে এটা ঠিক হয়ে যাবে। মানসিকভাবে এটা মেনেই নিতে পারছি না। ২০১৭ সালে এসে সিদ্ধান্ত নিতে পারলাম যে, আমাদের মনে হয় এ সম্পর্কটা আসলেই কাজ করবে না।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

সাভার স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা
আজ মহান বিজয় দিবস
ওসমান হাদিকে নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন
হাদির আক্রমণকারী চিহ্নিত, বিএনপিকে জড়িয়ে মিথ্যাচার চলছে: ফখরুল
‘হাদির ওপর হামলাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে সিইসি দায়িত্বে থাকতে পারেন না’
তিন উপদেষ্টার পদত্যাগে আন্দোলনের হুশিয়ারী সাদিক কায়েমের
রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শুরু হয়েছে ‘সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশ’
১৬ ডিসেম্বর লন্ডনে তারেক রহমানের আলোচনা অনুষ্ঠান
সাংবাদিক আনিস আলমগীরের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন
নির্বাচনকে ঘিরে অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে: ড. সালেহউদ্দিন

ফটোগ্যালারী

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.