বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩, ২৭ শাওয়াল ১৪৪৭, গ্রীষ্মকাল

৯ জুন যুক্তরাজ্যে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

আগামী ৯ জুন যুক্তরাজ্যে যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সফরের উদ্দেশ্য হলো কিং চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ গ্রহণ করা। সফরকালে তাঁর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস এবং প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

সরকারের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, এই সফর শুধু পুরস্কার গ্রহণেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং সংস্কার, রোহিঙ্গা সংকট এবং অর্থপাচারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সমর্থন নিশ্চিত করাও এর অন্যতম লক্ষ্য।

সফরের প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী ১০ জুন লন্ডনে পৌঁছাবেন প্রধান উপদেষ্টা, আর ১৩ জুন দেশে ফিরবেন। এ সময় রাজপরিবারের একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। অন্যদিকে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক এখনও চূড়ান্ত না হলেও আলোচনার প্রক্রিয়া চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, বুধবার বা বৃহস্পতিবার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। এ ছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি এবং যুক্তরাজ্যের কয়েকজন মন্ত্রীও তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক মহলের মতে, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সংস্কার এখন আন্তর্জাতিক মহলের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হওয়ার পর থেকেই ব্রিটেন এ প্রক্রিয়ায় সমর্থন জানিয়ে আসছে। রাজনৈতিক দলগুলোর চাপ, নির্বাচনী পরিবেশ এবং সুশাসন ইস্যুতে এই সফরকালে ব্রিটেনের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন প্রধান উপদেষ্টা।

মানবাধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, শ্রম অধিকার, লিঙ্গ-সমতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা— এসব বিষয় নিয়েও আলোচনা হতে পারে। ব্রিটেন ইতোমধ্যেই এসব ইস্যুতে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে মানবাধিকারবিষয়ক ব্রিটিশ দূত এলেনর স্যান্ডার্স ঢাকা সফর করেছিলেন এবং এসব বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এছাড়া বাণিজ্য ও বিনিয়োগেও উভয় দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের পোশাক, চিংড়ি, হস্তশিল্পসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করে এবং বিপরীতে বাংলাদেশে অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ করছে। এই অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও সম্প্রসারিত করতে আগ্রহী ঢাকা।

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে যুক্তরাজ্যের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তারা জাতিসংঘের মাধ্যমে কূটনৈতিক চাপ বজায় রেখেছে এবং মানবিক সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। ২০১৮ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে ব্রিটেন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

আজ ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী
টাইমের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
‘আমিও অনলাইন ক্লাস চাই না, পৃথিবী চায়’
বিয়ে আমার জীবনের একটি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল: অপু বিশ্বাস
৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত
ভিসা ছাড়া বিশ্বের ৩৬ দেশ ভ্রমণে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা
কাল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান নতুন দফা বৈঠক
জেনিফার লোপেজের ‘নতুন শুরু’!
নেইমার বিষয়ে আনচেলত্তিকে যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট
‘মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে’
দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার বন্ধ ঘোষণা
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
এনআইডি সংশোধনে ইসির কঠোর নিয়ন্ত্রণ
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনে করবেন প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীতে ২০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
আজ পহেলা বৈশাখ
নকলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ
ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনায় বিচলিত নন পোপ লিও
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জামায়াত আমির

ফটোগ্যালারী

[custom_gallery]

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.