কিশোরগঞ্জের হাওড়ের সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে সাতটি ভাসমান স্কুল। স্কুলগুলো কার্যক্রম শুরুর পর থেকে হাওড়ে বেড়েছে শিক্ষার হার। লেখাপড়ার পাশাপাশি স্কুলগুলোতে বিনামূল্যে দেয়া হচ্ছে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা, আছে বিনোদনের ব্যবস্থাও।
শিক্ষা থেকে বঞ্চিত এক বিরাট জনগোষ্ঠীর বসবাস কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার ঘোড়াউত্রা নদী পাড়ের ছাতির চর ও শিংপুরে। চরম দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করা এই দুই ইউনিয়েনের মানুষকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে সাতটি ভাসমান স্কুল চালু করে পপি নামে বেসরকারি একটি সংস্থা। এর মধ্যে ছাতিরচর ইউনিয়নে রয়েছে চারটি এবং শিংপুর ইউনিয়নে রয়েছে তিনটি স্কুল। এসব স্কুলেই শিক্ষাজীবনের যাত্রা শুরু করে সুবিধা বঞ্চিত শিশুরা।
স্কুলগুলোতে শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করানো হচ্ছে। আর শিশুদের স্কুলের প্রতি আকৃষ্ট করতে দেয়া হচ্ছে বিনামূল্যে বই, খাতা, কলম। পাশাপাশি রয়েছে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবার ব্যবস্থা।সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পেরে খুশি অভিবাকরা।
হাওরে শিক্ষার আলো ছড়াতে পেরে আনন্দিত সংশ্লিষ্টরা। এই ধারা অব্যহত রাখার কথা জানিয়েছেন তারা। বর্তমানে এ সাতটি ভাসমান স্কুলে ৩৩০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।








