বর্ণিল আয়োজনে উদযাপিত হলো বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারীদের অন্যতম উৎসব প্রবারণা পূর্নিমা। কক্সবাজারের রামুতে বাঁকখালী নদীতে ‘কল্পজাহাজ’ ভাসানো হয়। এই আয়োজন দেখতে লোকে লোকারণ্য হয় বাকখালী নদীর দুই তীর। এদিকে, পটুয়াখালী ও বান্দরবানে ফানুস উড়ানোর পাশাপাশি সহস্র বাতি প্রজ্জলনকরা হয়।
বর্ণিল আয়োজনে শেষ হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা। বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের বাকখালী নদীতে ভাসানো হয় কল্পজাহাজ। অপূর্ব কারুকাজে তৈরী জাহাজগুলো বিভিন্ন জায়গা থেকে নৌকায় করে রামুতে এনে ভাসানো হয় নদীতে। জাহাজ ভাসানোর পর বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস করে বৌদ্ধ যুবক-যুবতীরা। ভাসমান জাহাজে চলে কীর্তন।
এই আয়োজন দেখতে লোকে লোকারণ্য হয় নদীর দুই তীর। গান-বাজনা, কীর্তন ও ফানুসওড়ায় নানা বয়সের মানুষ।
জাহাজ ভাসানো উৎসব আড়াই হাজার বছরের ঐতিহ্য বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। এদিকে, পটুয়াখালীর কুয়াকাটার বৌদ্ধ বিহারগুলোতে উড়ানো হয়েছে রং-বেরংয়ের ফানুস। রাখাইন পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে গৌতমবুদ্ধকে স্মরণ করা হয়।
প্রবারণা পূর্ণিমায় খাগড়াছড়ির বৌদ্ধ মন্দিরগুলোতে সন্ধ্যায় সহস্র বাতি প্রজ্জলন করা হয়। আর মারমারা নতুন পোশাক পরে অংশ নেয় বিশেষ প্রার্থনায়। তবে এবার অন্যান্য বছরের মতো ভীড় নেই।








