ধোবাউড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নেতাই নদীর পাড় ভেঙ্গে কয়েকটি ইউনিয়ন প্লাবিত। ধোবাউড়া সদর ইউনিয়ন, ১নং দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়ন, গামারীতলা ইউনিয়ন, ঘোষগাঁও ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী বেশ কিছু এলাকা পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

১নং দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব সোহাগি পাড়া, পশ্চিম সোহাগি পাড়া, জাঙ্গালিয়া পাড়া, মন্দির কোনা, তারাগড়া, সানখলা, কমলপুর, বল্লভপুর, কাশিপুর, কালিকাবাড়ী, নয়াপাড়া ভারী বর্ষণে বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে।
রবিবার (৬ অক্টোবর) বন্যার্তদের মাঝে ১নং দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়নের মানবতাবাদী চেয়ারম্যান জনাব হুমায়ূন কবির সরকার শুকনো খাবার বিতরণ করেন।
পানিবন্দী হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। কোথাও আশ্রয় না পেয়ে জাঙ্গালিয়া পাড়ার বহু নারী পাশের মসজিদে আশ্রয় নিয়েছে। কৃষিজীবী মানুষের ফসল বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। মৎসজীবী মানুষের বহু ফিসারিজ তলিয়ে গেছে। দরিদ্র বহু দিনমজুর গৃহহারা হয়েছে। এসব এলাকার বহু মানুষের মারা গেছে গবাদিপশু, ভেসে গেছে হাসমুরগীসহ ঘরের আসবাবপত্র।
পশ্চিম সোহাগি পাড়া গ্রামের অসহায় ফারুক মিয়ার বসতঘরটি পানির স্রোতে ভেঙে গেছে। নজরুল মিয়া ও আব্দুল মন্নানের মত বহু পরিবারের পুকুর ডুবে গিয়ে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। নেতাই নদী থেকে চারুয়া পাড়া যাওয়া যে রাস্তাটিতে ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।
গামারীতলা ইউনিয়নের উত্তর কলসিন্দুর গ্রামটির সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই গ্রামের আবুল কাশেম, আব্দুল মান্নান, মোতালেব,হাবিব, কাবিল, মাজহারুল, ইসব আলী, আব্দুল মন্নান, আ. গফুরের বাড়ি ভেঙে গেছে।
এসকল দিনমজুর অসহায় মানুষগুলোর পুনর্বাসনের ব্যবস্থা প্রয়োজন। জোনায়েদ, আসাদুল, আব্দুল মানিকের মত আরো অনেকে ঘরহীন হয়েছেন। রনসিংহপুর গ্রামের বহু মানুষ পানিবন্দী। ঘর হারিয়েছেন অনেকে। মোফাক্কারুল হারিয়েছে ঘরবাড়ী। ফসলী জমি প্লাবিত হয়ে নিঃস্ব হয়েছে কৃষক। ফিসারিজ বন্যার পানিতে প্লাবিত হওয়ায় মৎসজীবী মানুষগুলো অসহায় হয়ে পড়েছে।














