রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে নিজের অবস্থান জানালেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এই তথ্য জানান।
বর্তমানে রাজনৈতিক কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই উল্লেখ করে আসিফ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রথম যে রাজনৈতিক উদ্যোগের সাথে যুক্ত ছিলাম (ছাত্র অধিকার পরিষদ) পরে দলীয় লেজুড়বৃত্তিসহ আরও কিছু কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি থাকা অবস্থায় কমিটির সকল সদস্য গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে পদত্যাগ করি।
আসিফ জানান, যদিও এসব বিষয় সামনে আনতে চাইনি তবে, অনেক জায়গায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ায় স্পষ্ট করার প্রয়োজন অনুভূত হলো। এখন জাতীয় ঐক্য ধরে রেখে সংস্কার ও পুনর্গঠনই অন্যতম লক্ষ্য।
২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের আসিফ সক্রিয় ছিল ২০২৪ সালেও। ২০১৮ সালে ছাত্র অধিকার পরিষদের সঙ্গে রাজনীতি শুরু করেন আসিফ। ২০২৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগঠনটির প্রথম সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি।
পরে সংগঠনের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে আসিফের নেতৃত্বে পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি পদত্যাগ করে। ২০২৩ সালে চার অক্টোবর গণতান্ত্রিক ছাত্র শক্তির সূচনার পর সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়কের দায়িত্ব পান তারা।
২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম এই সমন্বয়ক পাঁচ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর আট আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত হন। পরের দিন অর্থাৎ ৯ আগস্ট তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। এর এক সপ্তাহের মাথায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পান আসিফ।








