পঞ্চগড়ে প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে সুপারি পাতার খোল ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে নান্দনিক তৈজসপত্র। ওয়ান টাইম প্লেট, বাটি, চামচসহ ৮ ধরনের জিনিস তৈরি করে সাড়া ফেলেছেন শিমুলতলী গ্রামের এক উদ্যোক্তা। স্বাস্থ্যকর হওয়ায় বাজারে অন্যান্য পণ্যের তুলনায় এগুলোর চাহিদাও বেশি। আর, পরিবেশবান্ধব এসব সামগ্রী ব্যবহারের পর ফেলে দিলে মাটিতে পঁচে তৈরি হয় জৈব সার।
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় সুপারি গাছের ঝরে পড়া খোল দিয়ে ওয়ান টাইম প্লেট, বাটি, চামচসহ বিভিন্ন তৈজসপত্র তৈরি করে সাড়া ফেলেছেন এক উদ্যোক্তা। স্বাস্থ্যকর হওয়ায় এসব পণ্যের চাহিদাও বেশি। গত বছরের অক্টোবর মাসে উদ্যোক্তা ফরিদুল আলম হিরু স্থাপন করেন কারখানা। যেখানে এখন দৈনিক ১০০০ থেকে ১২০০ পিস প্লেট ও বাটিসহ ৮ ধরনের তৈজসপত্র উৎপাদিত হচ্ছে।
স্থানীয় সুপারি বাগানের মালিকরা জানান, আগে বাগানে পড়ে থেকে নষ্ট হতো সুপারি গাছের ঝরে পড়া খোল। কিন্তু এসব থেকে এখন পণ্য তৈরি হওয়ার বিক্রি করে বাড়তি আয় হচ্ছে।
ফরিদুল আলমের কারখানায় অনেকের চাকরি হয়েছে। এমন কারখানা আরও হলে অনেক বেকারের কর্মসংস্থান সম্ভব।
সুপারির খোল থেকে বানানো পণ্যগুলো শক্ত, সুন্দর ও সহজে পরিবহনযোগ্য। প্লাস্টিকের থেকে দাম একটু বেশি হলেও পরিবেশবান্ধব হওয়ায় এর গুরুত্ব বেশি বলে জানান, ইকো বিপিগ্রীনের পরিচালক ফরিদুল আলম হিরু। সুপারি গাছের খোল গ্রামে সহজলভ্য হওয়ায় একে কেন্দ্র করে আরও কারখানা গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে।








