মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার কুমারভোগ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাউসার তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জনি। ক্ষমতার পালাবদলের পর শিমুলিয়া ঘাট দখলে নেন তারা। এই অভিযোগ অস্বীকার করে আজ তারা সংবাদ সম্মেলন করেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে। যেখানে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তারা সেটিও দখল করা আওয়ামী লীগের কার্যালয়।
জানা যায়, ১ কোটি ৪২ লাখ টাকায় ডাক নেওয়া বৈধ ইজারাদার উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি সুলতান মোল্লাকে হটিয়ে কাউসার তালুকদার ও আনোয়ার হোসেন জনি ঘাট দখলে নেন। এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে লৌহজং জুড়ে সমালোচনা হয়। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার কুমারভোগ ইউনিয়ন বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী সভাপতি কাউসার তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জনির বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছেন।
ওই ঘাট দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে আজ শনিবার (৩১ আগস্ট) সকালে সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। কিন্তু যে কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সেটিও দখল করা আওয়ামী লীগের কার্যালয়। শুধু তাই নয় আওয়ামী লীগ কর্মীদের নিয়েই এ সংবাদ সম্মেলনের অভিযোগ উঠেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শেখ হাসিনা পতনের পর ৫ আগস্ট কাউসার তালুকদারের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়। পরে তিনি বিএনপির কার্যালয় হিসেবে দখল করেন। সেখানে নিয়মিত এখানে বিএনপির নেতাকর্মীরা বসেন। শিমুলিয়া ঘাট দখলের বিষয়টি অস্বীকার সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন যাবত এখানে আওয়ামী লীগের কার্যালয় দেখেছি। সরকার পতনের পর দেখি বিএনপি দখল করছে। এ রকম নোংরামি আমরা চাই না। আওয়ামী লীগ এমন জুলুমকারী ছিল তাই তাদের পতন হয়েছে। বিএনপিও একই পথে হাঁটছে।
ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি লুৎফর রহমান তালুকদার জানান, বিএনপির দখল করা অফিসটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ছিল। গত ৫ আগস্ট আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের পরে কাউসার তালুকদার লোকজন নিয়ে কার্যালয়টি ভাঙচুর করে দখ করে বিএনপির কার্যালয় বানিয়েছেন।
অভিযুক্ত ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাউসার তালুকদারকে মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও কলটি তিনি রিসিভ করেননি।








