ঝুলে আছে ‘হেভিওয়েট’ মামলা; আপিল বিভাগে বিচারপতি সংকট,দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারপতি সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। প্রধান বিচারপতিসহ মাত্র পাঁচজন বিচারপতি রয়েছেন আপিল বিভাগে। বর্তমানে আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চে বিচারকাজ চলছে। এ কারণে মামলা নিষ্পত্তির হার যেমন কমেছে, তেমনি বিচারপতি সংকটে ঝুলে রয়েছে ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ, পিলখানা হত্যা মামলার মতো গুরুত্বপূর্ণ মামলা। এ অবস্থায় আপিল বিভাগে দ্রুত বিচারপতি নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে রিটকারী ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, “আপিল বিভাগে ১১ জন বিচারপতি থাকার কথা। সেখানে মাত্র পাঁচজন বিচারপতি আছেন। কোনো কেবিনেট সেক্রেটারি বা স্পিকারের পদ যদি খালি হয় সেটা কিন্তু দ্রুত নিয়োগ দিয়ে পূরণ করা হয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে পদ খালি থাকার পরও দীর্ঘদিন নিয়োগ হয় না। আমি মনে করি, বিচার বিভাগের সঙ্গে সরকার বিমাতাসুলভ আচরণ করছে। এটা বিচার বিভাগবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি নয়। আপিল বিভাগে বিচারক নিয়োগ না করার ফলে মামলার জট তৈরি হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলো নিষ্পত্তি করা সম্ভব হচ্ছে না। আমি সরকারের কাছে দ্রুত আপিল বিভাগে বিচারক নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”
সুপ্রিম কোর্ট ও আইন মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন, আপিল বিভাগের বিচারপতি সংকট কাটাতে চার থেকে পাঁচজন বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। ঈদের ছুটি শেষে সর্বোচ্চ আদালত খোলার পরই আপিল বিভাগে বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হবে। দীর্ঘদিন আপিল বিভাগের দুটি বেঞ্চে বিচারকার্য চলত। বিচারপতি স্বল্পতার কারণে বর্তমানে আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চে বিচারকার্য চলছে। বিচারক নিয়োগ দেওয়ার পর মামলাজট নিরসন করতে আগের মতো দুটি বেঞ্চে বিচারকার্য পরিচালনা করা হবে।








