“দীর্ঘ ২৮ বছর পর পার্বত্য চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত হিল উইমেন্স ফেডারেশন নেত্রী কল্পনা চাকমা অপহরণ মামলা মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) রাঙামাটি জেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাতেমা বেগম মুক্তা’র জনাকীর্ণ আদালত খারিজ করে দিয়েছে।
আদালত সূত্র জানা গেছে, রাঙামাটিতে কল্পনা চাকমা অপহরণ হয়েছে মর্মে মামলা দায়ের হয়। এ মামলায় দীর্ঘ তদন্তের পর পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করে। পুলিশি প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বাদীপক্ষ নারাজি দেয়। রাঙামাটি বিজ্ঞ আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাতেমা বেগম মুক্তার আদালত পুলিশের প্রতিবেদন গ্রহণ পূর্বক বিবাদীর নারাজি প্রতিবেদন খারিজ করে দেয়। বিবাদীর না-রাজি আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়ার মধ্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত এ মামলার কার্যকারিতা শেষ হয়ে যায়।
সূত্র আরও জানায়, ২০১৩ সালের ১৩ জানুয়ারিতে রাঙামাটির চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জমা দেয়া সিআইডির চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে না-রাজি দিয়েছিলো মামলার বাদী কালিন্দী কুমার চাকমা। মঙ্গলবার পুলিশি প্রতিবেদন গ্রহণের মধ্য দিয়ে এ মামালার সমাপ্তি হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পুলিশের তদন্ত কল্পনা চাকমা অপহরণের সত্যতা মেলেনি। বিজ্ঞ আদালতের কাছেও পুলিশের দাখিলকৃত প্রতিবেদন সত্যতা নিশ্চিত হওয়ায় না-রাজি প্রত্যাখ্যান হয়।
জানা যায়, ১৯৯৬ সালের ১১ জুন মধ্যরাতে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার নিউ লাইল্যাঘোনার নিজ বাড়ি থেকে তৎকালীন হিল উইমেন্স ফেডারেশন নেত্রী কল্পনা চাকমা অপহৃত দাবীতে একই বছর মামলাটি দায়ের করা হয়। ১৯৯৬ সাল থেকে চলমান কল্পনা চাকমা অপহরণ মামলাটির চলমান ছিল।
একাধিক গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, আলোচিত হিল উইমেন্স ফেডারেশন নেত্রী কল্পনা চাকমা ভারতের গন্ডাছড়ায় স্বামী সংসার নিয়ে বসবাস করছেন। এই জাতীয় তথ্য প্রমাণও পাহাড়ি বাসিন্দা













