পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনীতি। এ ঘটনায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বকে সরাসরি অভিযুক্ত করে একে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ বলে দাবি করছে বিজেপি। তবে এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে এখনই কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে না চাইলেও, এর পেছনে ‘রাজনৈতিক যোগসূত্র’ থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এ খবর জানিয়েছে। গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি নেতা জানান, তারা এ মুহূর্তে কোনও নির্দিষ্ট উপসংহারে আসতে চান না। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে তারা পুলিশের তদন্ত রিপোর্টের ওপরই ভরসা রাখছেন।
তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করতে রাজি না হলেও শুভেন্দু বলেন, এ ঘটনার পেছনে কোনও রাজনৈতিক যোগসূত্র থাকতে পারে বলে আমরা মনে করছি।
এদিকে, বুধবার উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে বিজেপি নেতা অর্জুন সিং এ হত্যাকাণ্ডের জন্য সরাসরি তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিযুক্ত করেছেন। রাজ্যে চলমান নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, ‘ক্ষমতায় না থেকেও’ শাসক দল যে এখনও শক্তিশালী, এমন বার্তা দিতেই এ খুনের ছক কষা হয়েছে। তিনি বলেন, ওরা বোকা; ওরা ওদের জবাব পেয়ে যাবে।
প্রসঙ্গত শুভেন্দু অধিকারীর দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার রাতে কলকাতার নিকটবর্তী মধ্যমগ্রাম এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত চন্দ্রনাথ শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, ঘটনার সময় হামলাকারীদের সঙ্গে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। অন্তত চার রাউন্ড গুলি চালানোর একপর্যায়ে চন্দ্রনাথ মারাত্মকভাবে গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।








