এই মামলায় টিউলিপ সিদ্দিকের সঙ্গে তার খালা, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যকেও দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পৃথকভাবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ২০২৪ সালে সরকার পতনের পর তিনি ভারতে পালিয়ে যান।
তারেক রহমানের সম্ভাব্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আলোচিত হুমায়ুন কবির বলেছেন, নতুন বিএনপি সরকার দুর্নীতির মামলায় বিচার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবে।
তারা এখন দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী। বিচারিক প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে এগোচ্ছে, দ্য ইন্ডিপেনডেন্টকে বলেন হুমায়ুন কবির।
তবে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই ফলে টিউলিপ সিদ্দিককে দেশে ফেরত পাঠানো অত্যন্ত কঠিন বলে মনে করা হচ্ছে। চুক্তি ছাড়াও তাত্ত্বিকভাবে প্রত্যর্পণ সম্ভব হলেও, লেবার পার্টি এই বিচার প্রক্রিয়ার কঠোর সমালোচনা করেছে।
লেবার পার্টি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, টিউলিপ সিদ্দিক ন্যায্য আইনি প্রক্রিয়ার সুযোগ পাননি এবং অভিযোগের বিস্তারিত কখনও তাকে জানানো হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে আমরা এই রায়কে স্বীকৃতি দিতে পারি না।
হুমায়ুন কবির বলেন, নতুন সরকার মামলাগুলো প্রত্যাহার করবে না। আমরা হস্তক্ষেপ করব না। বিচারিক প্রক্রিয়াই তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে।
এছাড়া, যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি কর্তৃক সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১৭০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি সম্পদ জব্দ করার পদক্ষেপকে স্বাগত জানান হুমায়ুন কবির, তবে বলেন ,আরও অনেক কিছু করা প্রয়োজন।








