সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, ৭ জিলহজ ১৪৪৭, গ্রীষ্মকাল

টানা কর্মবিরতিতে প্রাথমিক শিক্ষকরা, বার্ষিক পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা

কলিকাল প্রতিনিধি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় সাড়ে তিন লাখ সহকারী শিক্ষক তিন দফা দাবিতে গত ২৭ নভেম্বর থেকে চলমান কর্মবিরতি মধ্যেই বার্ষিক পরীক্ষা সামনে রেখে নতুন আলটিমেটাম দিয়েছেন তারা।

শিক্ষকরা জানিয়েছেন, রোববার (৩০ নভেম্বর) রাতের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে সোমবার শুরু হতে যাওয়া বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন করা হবে।

আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের অন্যতম আহ্বায়ক মু. মাহবুবর রহমান বলেন, আমরা লাগাতার কর্মবিরতি করছি। সারা দেশের ৬৫ হাজার ৫০০-এর বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ। রোববারের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে সোমবার থেকে বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন করতে বাধ্য হবো।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্র জানায়, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৯টি। এখানে তিন লাখ ৮৪ হাজারের বেশি শিক্ষক কর্মরত, যাদের বেশির ভাগই সহকারী শিক্ষক। প্রধান শিক্ষকরা ইতোমধ্যে দশম গ্রেডে উন্নীত হলেও সহকারী শিক্ষকরা এখনো ১৩তম গ্রেডে বেতন পান। গ্রেড উন্নীতকরণসহ কয়েকটি দাবি দীর্ঘদিন ধরে তারা তুলে আসছেন।

গত ৮ থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষকরা। ওই সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে দেড় শতাধিক শিক্ষক আহত হন। পরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের আশ্বাসে শিক্ষকরা কর্মস্থলে ফেরেন। তবে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হওয়ায় পুনরায় কর্মবিরতি শুরু হয়।

কর্মবিরতি প্রত্যাহারের আহ্বান জানাতে গত ২৭ নভেম্বর আন্দোলনরত নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ডিপিইর মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান। তিনি বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন না করার অনুরোধও জানান। তবে শিক্ষক নেতারা জানান, দাবি পূরণের নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে।

পরিষদের আহ্বায়ক মাহবুবর রহমান বলেন, ডিজি স্যার বার্ষিক পরীক্ষা নষ্ট না করতে অনুরোধ করেছেন। কিন্তু সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্মবিরতি থেকে সরে আসা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি।

আরেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামছুদ্দিন মাসুদ বলেন, ডিজি জানিয়েছেন, পে-কমিশন দাবি নিয়ে কাজ করছে। কিন্তু আমাদের দাবির সঙ্গে পে-কমিশনের সম্পর্ক নেই। অর্থ বিভাগের সচিবও বলেছেন, সরকার চাইলে দাবি একদিনেই বাস্তবায়ন সম্ভব।

এখন দাবি বাস্তবায়ন না হলে বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। প্রয়োজনে অর্থ বিভাগের সচিবের সঙ্গে আবার বৈঠকের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সহকারী শিক্ষকদের দাবিগুলো হলো—

১. বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীতকরণ,

২. ১০ ও ১৬ বছরপূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড সমস্যার সমাধান

৩. এবং শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি।

সরকার সরাসরি দশম গ্রেডে উন্নীত করতে না চাইলেও আপাতত ১১তম গ্রেডের সুপারিশ করেছে। তবে শিক্ষকরা বলছেন, প্রথমে সেই প্রতিশ্রুতিরই বাস্তবায়ন চান তারা।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

বিশ্বকাপ ফুটবলের থিম সং প্রকাশ
২৯ কার্যদিবসে শিশু ধর্ষণ মামলার রায়, যুবকের মৃত্যুদণ্ড
হামে প্রাণ গেলো আরও ১৬ শিশুর
যেভাবে বানাবেন খাসির মাংসের কালাভুনা
বিয়ে করলেন কঙ্গনা!
রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবী নিয়োগ
জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করবেন প্রধানমন্ত্রী
রামিসা হত্যার ঘটনায় অভিযোগ গঠনের শুনানি ১ জুন
এলপিএলের ড্রাফটে ৪৮ বাংলাদেশি ক্রিকেটার
রাফসানের সঙ্গে আমিই প্রথম যোগাযোগ করি: জেফার
নকলায় কুরবানি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বিতর্ক প্রতিযোগিতা
কক্সবাজার আদালত চত্বরে প্রকাশ্যে গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ২
বান্দরবান সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণ, নিহত ৩
নালিতাবাড়ীতে এক হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ
বায়তুল মুকাররমে ৫টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে
ফরিদপুরে বাস-অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত
পত্রিকা সম্পাদকদের নতুন ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্ম
রামিসার ফরেনসিক রিপোর্টে মৃত্যুর আগে মিলেছে ধর্ষণের প্রমাণ
জেট ফুয়েলের দাম কমলো
দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি

ফটোগ্যালারী

[custom_gallery]

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.