বন্যার পর এবার নদীভাঙনের কবলে পড়েছে শেরপুরের কয়েক উপজেলার মানুষ। নদ নদীর পানি কমার সাথে সাথেই ভাঙনের কবলে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ী ও বিভিন্ন স্থাপনা। দ্রুত নদী ভাঙন রোধ না করলে সামনে বোরো আবাদ ব্যাহত হতে পারে বলে আশংকা স্থানীয়দের।
গেল বন্যায় শেরপুর জেলার চারটি পাহাড়ি নদী, সোমেশ্বরী, মহারশি, ভোগাই, ও চেল্লাখালী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ক্ষতগ্রস্ত হয়। এতে নদীগুলোর ১ হাজার ১২০ মিটার বেড়িবাঁধ ও ১ হাজার ৫৪০ মিটার তীর ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
নদীর পানি কমে যাওয়ায় এখন দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন। এতে বিলীন হচ্ছে নদী পাড়ের ফসলি জমি, বাড়িঘর ও বিভিন্ন স্থাপনা। বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে না উঠতেই নতুন করে আবার ক্ষতির মুখে পড়েছেন নদী পাড়ের মানুষ। ভাঙন রোধ ও সংস্কার না করলে আসন্ন বোরো আবাদও ব্যাহত হতে পারে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
এদিকে সম্প্রতি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে সমন্বিতভাবে প্রশাসন কাজ করছে বলে জানায় জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড। নদী ভাঙন রোধ করা ও নদীর তীররক্ষা বাঁধগুলো দ্রুত মেরামতের দাবি এলাকাবাসীর।








