শপথ অনুষ্ঠানের বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না মন্তব্য করে তিনি বলেছেন, মন্ত্রী হবেন না- এটা জেনেই তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে কেরানীগঞ্জের কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সরকারি কর্মকর্তা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। এসময় গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কারও চরিত্রহনন বা সম্মানে আঘাত করা সঠিক নয়।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমি জানতাম, মন্ত্রী হব না। তবুও সেখানে গিয়েছিলাম। আমি আপনাদের বলে গেলাম, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমি মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না। আপনারা বলছেন মন্ত্রী না হওয়ার জন্য রাগ করে আসছি…আসছি, আসছি। আর যাবো না। পরে আবারও জোর দিয়ে বলেন, আর যাবো না। আমি সংসদ সদস্য, জনগণের প্রতিনিধি। শেষ পর্যন্ত মানুষের পক্ষে লড়াই করব, নিয়মের কথা বলব এবং নিয়ম প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করব।’
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি বাগ্বিতণ্ডার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মন্ত্রিসভায় ডাক পেলে আমি আগেই জানতে পারতাম। একজন সিনিয়র নেতা হিসেবে আমাকে সামনের সারিতে বসার আসন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এক কর্মকর্তা না জেনে মন্ত্রী ছাড়া সবাইকে আসন ছেড়ে দিতে বলেন। এমনকি না গেলে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স-এসএসএফ ডেকে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে আমি অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করি। ফেরার সময় অনেকে থাকতে অনুরোধ করলে কিছুটা রাগ প্রকাশ করি। পরে সেটিই ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।’
এসময় বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আহ্বান জানান তিনি। সভায় তিনি ঢাকা-৩ আসন-এর বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে স্থানীয় কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও সাধারণ মানুষের মতামত প্রদানে আহ্বান করেন।








