শনিবার, ৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩, ২১ জিলকদ ১৪৪৭, গ্রীষ্মকাল

‘আগে গুলি, পরে প্রশ্ন’ নীতিতে ট্রাম্পের হুমকির জবাব ডেনমার্কের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে গ্রিনল্যান্ড দখলের ইঙ্গিত ও হুমকির প্রেক্ষাপটে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ডেনমার্ক। যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ডে হামলা চালায়, তাহলে ডেনিশ সেনাবাহিনী কোনো নির্দেশের অপেক্ষা না করে সরাসরি গুলি চালাবে। ডেনমার্কের যুদ্ধকালীন নিয়ম অনুযায়ী আগে পাল্টা আক্রমণ করা হবে, পরে অন্য আলাপ হবে। ডেনিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ডেনিশ দৈনিক বার্লিংস্কেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোনো বিদেশি শক্তি যদি আক্রমণ বা দখলের চেষ্টা করে, তাহলে সেনারা কেন্দ্রীয় নির্দেশ বা আনুষ্ঠানিক অনুমতির অপেক্ষা না করেই তাৎক্ষণিকভাবে গুলি চালাতে ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে।

১৯৫২ সালে প্রণীত একটি সামরিক বিধি এখনো কার্যকর রয়েছে। ওই বিধিতে বলা হয়েছে, আক্রমণের মুখে কোনো আদেশের জন্য অপেক্ষা না করে অবিলম্বে প্রতিরোধ শুরু করতে হবে, এমনকি যুদ্ধ ঘোষণা হয়েছে কি না তা নিশ্চিত না হলেও। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪০ সালে নাৎসি জার্মানির আকস্মিক আক্রমণের সময় উচ্চপর্যায়ের নির্দেশের অপেক্ষায় থেকে কার্যকর প্রতিরোধ গড়তে না পারার তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকেই এই নীতির জন্ম।

ডেনমার্কের মধ্যডানপন্থী সংবাদপত্র বার্লিংস্কে নিয়মটির বর্তমান অবস্থা জানতে চাইলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, বিধিটি এখনো বলবৎ রয়েছে এবং প্রয়োজনে তা অনুসরণ করা হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ কৌশলগত অঞ্চল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার ঘটনার পর গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে তার বক্তব্য আরও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এতে ডেনমার্কের পাশাপাশি ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর মধ্যেও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, গ্রিনল্যান্ড এলাকায় রুশ ও চীনা জাহাজের উপস্থিতি বাড়ছে এবং ডেনমার্ক একা এই অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না। যদিও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, সামরিক অভিযানের চেয়ে কূটনৈতিক সমাধান বা ক্রয়ের বিষয়টিই তারা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

বিগ বসের অভিজ্ঞতা ছিল ‘ট্রমাটিক’: তানিশা
নকলায় বাসের ধাক্কায় মাহিন্দ্র ট্রাক্টর চালকের মৃত্যু
স্ত্রী-সন্তানদের নির্মমভাবে হত্যার পর যা করলেন ফুরকান
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৫০ হাজার ৯৬ হজযাত্রী
দলীয় নেতাদের সঙ্গে আজ প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
শিক্ষাই হবে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের সেতুবন্ধন
তিন দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা: ট্রাম্প
‘দেশের রাজনীতিতে এখনো কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি’
আইন প্রণয়ন, বদলি বা পদায়নে সরকারের হস্তক্ষেপ করার কোনো সুযোগ নেই
শুভেন্দু অধিকারী হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী
‘আপোষহীন দেশনেত্রী’ বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক পুরস্কারে ভূষিত
হাসনাত-সারজিসকে নিয়ে রাশেদ খান’র বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
আমি সবসময় কাজের মাধ্যমে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার চেষ্টা করি: ভাবনা
কুরবানি ওয়াজিব হয় কখন!
২৩ দিন পর ইস্টার্ন রিফাইনারীতে আবারও উৎপাদন শুরু
ঈদুল আজহার ছুটি সাত দিন
নতুন পাঁচ উপজেলা গঠন
মির্জা আব্বাসের সুস্থতা কামনা করে নাসীরুদ্দীনের বার্তা

ফটোগ্যালারী

[custom_gallery]

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.