গাজীপুরে হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর সন্ত্রাসীদের হামলার প্রতিবাদে রাজধানীর বাংলামোটর বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)।
রোববার রাত ১০টার দিকে শত শত নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে বাংলামোটরে এনসিপির কার্যালয়ের সামনে থেকে এই বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। নানা স্লোগানে মিছিলটি শাহবাগের দিকে এগোচ্ছে। এর আগে সন্ধ্যা ৭টায় ফেসবুকে এক পোস্টে হাসনাতের ওপর হামলার কথা জানান এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
অন্যদিকে, হাসনাত আব্দুল্লার উপরে হামলার পরপরই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করা হয়। যা ব্যাপক ক্ষুব্ধ করেছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ছাত্র-জনকাকে। গণহত্যকারী দলটির সন্ত্রাসীরা এখনো গ্রেপ্তার না হয় ব্যাপক ক্ষোভ ঝেড়েছেন নেটাগরিকরা।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নিজের ফেসবুক আইডিতে প্রতিবাদ জানিয়ে লিখেছেন, হাসনাত আবদুল্লাহ ও তার সহযোগীদের উপরে হামলাকারী পুরনো কিংবা নব্য ফ্যাসিস্ট সন্ত্রাসী যারাই হোক না কেন দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে এসে বিচার নিশ্চিত করতে না পারলে শুধু হাসনাত আব্দুল্লাহরাই হারবে না হারবে বাংলাদেশ।
ফেসবুকে প্রতিবাদ জানিয়ে মোহাম্মদ মিরাজ মিয়া লিখেছেন, লক্ষ মানুষের দোয়া না থাকলে আজকে হয়তো হাসনাত আবদুল্লাহ বেচে ফিরতেন না। জাস্ট গাড়ির গ্লাসের দিকে তাকান। ধারালো অস্ত্র দিয়ে পূর্ণ শক্তি নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। হাসনাত গাড়িতে শুয়ে ছিল। সিটে বসা থাকলে আমরা হাসনাতকে আজ হারাতাম। এজন্যই বলি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সিনা টান করে দাঁড়িয়ে যাওয়া আমাদের হাসনাত শুধু একা না, এদেশের হাজার হাজার মজলুমের দোয়া এই ছেলেটার সাথে আছে। এইতো কদিন আগেই হাসনাতরা কেন দামী গাড়িতে চলে এটার সমালোচনা করে কী সুশীলতাটাই না আমরা দেখাইলাম।
এ ব্যাপারে গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপকমিশনার রবিউল হাসান জানান, হাসনাত আব্দুল্লাহর উপর হামলার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে দেখছি। দায়ীদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছে।








