অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি চীনের সংগে সামরিক সহযোগিতাও বাড়াতে চায় বাংলাদেশ। এছাড়া রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের আরও কার্যকর ভূমিকা চেয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। রাজধানীতে বাংলাদেশ ও চীনের ৫০ বছরের সম্পর্ক উদযাপন অনুষ্ঠানে এসব বলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। চীনের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, বাংলাদেশের সংগে আগের মতই সম্পর্ক বজায় রাখবে চায় চীন।
বাংলাদেশ চীনের কূটনৈতিক সম্পর্ক পাঁচ দশকে গড়িয়েছে। সেই উপলক্ষে রোববার ঢাকায় আয়োজিত এই সেমিনারে দুই দেশের ভবিষ্যত সম্পর্কের নানান উঠে আসে। কিসের ওপর ভিত্তি করে সম্পর্ক বাড়াতে হবে তাও নির্ধারণ করার কথাও বলেন আলোচকরা। এসময় কর্ণফুলী টানেলের অর্থনৈতিক উপযোগিতা বাড়াতে চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক অঞ্চলে চীনের উদ্যোগ বাড়ানোর কথা বলেন, অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
সেমিনারে চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের সব সংকটে পাশে ছিল চীন। কোভিড কিংবা জুলাই আন্দোলনেও এদেশ ছেড়ে যায়নি চীন। অন্তর্বর্তী সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতায় তার দেশের আগ্রহের কথাও জানান রাষ্ট্রদূত।
চীনের সংগে অর্থনৈতিক সম্পর্কের বাইরেও সামরিক যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়ে ঢাকার আগ্রহের কথা জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগ তেমন কাজে আসেনি উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, এক্ষেত্রে চীনের আরো সক্রিয় ভুমিকা দেখতে চান।
বাংলাদেশ খুব দ্রুতই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ সব ধরণের চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে। এদেশের উন্নয়নে চীন বরাবরের মত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেও সহযোগিতা করবে।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন এদেশের উন্নয়নে চীনের নতুন নতুন বিনিয়োগ আশা করে বাংলাদেশ। এছাড়া চীনে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়াতে কাজ করতে চাই। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের আরো সক্রিয় ভূমিকা দেখতে চাই আমরা।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্পর্কের স্বচ্ছতায় জোর দিতে হবে। এক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বিষয়টি প্রধান্য দিতে হবে এবং ভূ-রাজনৈতিক বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।








