ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। বিমানবন্দরের ভেতরে-বাইরে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন বিমান বাহিনীর সদস্যরা। এছাড়া যাত্রী হয়রানি বন্ধেও পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। যাত্রীদের লাগেজ চুরি, লাগেজ কাটা ও খোয়া যাওয়ার ঘটনা বন্ধেও তৎপর কর্তৃপক্ষ। এসব পদক্ষেপে পরিবর্তনে স্বস্তি বেড়েছে যাত্রীদের।
দেশ থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিদিন যাওয়া আসা করে প্রায় ৪০ হাজার যাত্রী। ৬০টিরও বেশি গন্তব্যে এসব যাত্রী পরিবহন করে দেশি বিদেশি ৩৩টির বেশি এয়ারলাইন্স। যাত্রীদের একটি বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি কর্মী। যাওয়া আসার পথে ঢাকা বিমানবন্দরে তাদের হয়রানির অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
ছাত্র-জনতার অভ্যূত্থানে হাসিনা সরকারের পতন ও ডক্টর ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেবার পর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও যাত্রী সেবার বেশকিছু পরিবর্তন এসেছে। বিমানবন্দরের ভেতরে ও বাইরে নিরাপত্তার দায়িত্বে আনসার বাহিনীর পরিবর্তে দায়িত্ব পালন করছেন বিমানবাহিনীর সাড়ে ৮শ সদস্য। সাথে আছে সিভিল এভিয়েশনের নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মী। সহযোগিতার মনোভাবে স্বস্তি জানান যাত্রীরা।
ঢাকার বিমানবন্দরে যাত্রীদেরলাগেজ কাটা, খোয়া যাওয়া আর হয়রানির অভিযোগ ছিলো নৈমিত্তিক ঘটনা। কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় সেগুলো এখন অনেকটা কম। লাগেজ ব্যবস্থাপনা কর্মীদের বডিওর্ন ক্যামেরা দেয়া হবে বলে জানান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এর জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম।
দ্রুততম সময়ে যাত্রীরা যাতে লাগেজ পেতে পারেন আর ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে পারেন তা নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে জানালেন বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্র“প ক্যাপ্টেন কামরুল ইসলাম ।
কল সেন্টারের১৩৬০০ এই নম্বরে ফোন করে যে কোন ধরনের অভিযোগ জানাতে ও তথ্য সহায়তা পেতে যাত্রীদের প্রতি পরামর্শ কর্তৃপক্ষের।








