কাজ পাইয়ের দেয়ার নাম করে ঠিকাদারের কাছ থেকে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে। পানির গুণমান পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার প্রকল্পের ওই পরিচালকের ঘুষ চাওয়ার অডিও রেকর্ড এসেছে বৈশাখী টেলিভিশেনের কাছে। যাতে প্রকল্প পরিচালক বলতে শুনা যায়- টাকা না দিলে পুন:দরপত্র আহবান করবেন। এই অভিযোগের বিষয়ে গণমাধ্যমের সাথে কথা বলতে রাজি হননি ওই প্রকল্প পরিচালক।
সারাদেশে পানির গুণমান পরীক্ষার ৫২টি ল্যাবের জন্য প্রয়োজনীয় সরাঞ্জম কিনতে ২০২২ সালের ১২ই জানুয়ারি দরপত্র আহবান করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। অভিযোগ উঠেছে প্রায় ৩০ কোটি টাকার এই দরপত্রের জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাছে ২ কোটি টাকার ঘুষ দাবি করেন এই প্রকল্পের পরিচালক মুন্সী হাচানুজ্জামান।
দরপত্রের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি ঠিকাদারের কাছে দিয়ে ৮৩ লখ টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগ আছে প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে। মোবাইল ফোনে পিডি হাচানুজ্জামান স্থানীয় সরকারের সচিব ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর নাম ভাঙ্গিয়ে বাকি টাকা দিতে চাপ প্রয়োগ করেন ঠিকাদারকে।
তবে ২ কোটি টাকা না পেয়ে দুই দফা পুনঃদরপত্র আহবান করেন পিডি। এছাড়াও এই প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠলেও নির্বিকার প্রধান প্রকৌশলী।
এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক হাচানুজ্জামানের কার্যালয় ও প্রধান প্রকৌশলী কার্যালয়ে বেশ কয়েকবার গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হয় বৈশাখী টেলিভিশনকে।
অনুমতি ছাড়া জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে গণমাধ্যম ঢুকতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিষেধ রয়েছে বলে জানান নিরাপত্তা কর্মীরা।








