রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৮ রমজান ১৪৪৭, বসন্তকাল

১১ দিনে গ্রেপ্তার ৯ হাজার মানুষ

কোটা আন্দোলনে সহিংসতা ও নাশকতাকারীদের ধরতে রাজধানীসহ সারাদেশের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের ‘ব্লক রেইড’ চলছে। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর শাহীনবাগ এলাকায় ব্লক রেইড দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সে এলাকার মুদি দোকানদার হাফিজুর ইসলাম জানান, রাত ১১টার দিকে আকাশে হেলিকপ্টারের শব্দ শোনা যায়। এ সময় হঠাৎ সাইরেন বাজিয়ে মহল্লার চারপাশ ঘিরে ফেলেন সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা। হ্যান্ডমাইকে পুলিশের পক্ষ থেকে ঘোষণা আসে, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালাবে। কেউ বাসা থেকে বের হবেন না।’ ঘোষণা শেষ হতেই সড়কের বাতি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তারপর দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ। বাসায় ঢুকেই পুলিশের প্রশ্ন—আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে সহিংসতা চালিয়েছে, এমন কেউ বাসায় আছেন কি না। এরপর প্রশ্ন চলে একের পর এক, সঙ্গে চালানো হয় ঘরের প্রতিটি কোনায় তল্লাশি। জবাবের হেরফের হলেই গ্রেপ্তার।

মুদিদোকানি হাফিজুর ইসলামের দাবি, সে রাতে এলাকা থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিক্ষোভ, সংঘর্ষ, সংঘাত, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জানা গেছে, গতকাল শনিবার (২৭ জুলাই) পর্যন্ত ১১ দিনে মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা ৯ হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি জেলায় কিছুসংখ্যক ব্যক্তিকে পুরোনো মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এছাড়া বেশ কিছু জেলায় গ্রেপ্তারের আরও তথ্য জানা গেছে। সব মিলিয়ে গতকাল পর্যন্ত রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে গ্রেপ্তার হয়েছেন ৯ হাজার ১২১ জন।

এর আগে গত শুক্রবার পর্যন্ত সারা দেশে সাড়ে ছয় হাজারের বেশি গ্রেপ্তারের তথ্য ছিল।

অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে ঢাকায় যারা সহিংসতা চালিয়েছেন এবং তাদের মদদদাতাদের ধরতেই এই অভিযান। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এলাকা ভাগ করে সন্দেহভাজনদের আটক করা হয়। পরে তাদের যাচাই-বাছাই করে গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে।

সূত্র আরও জানায়, গত কয়েক দিনে রাজধানীর উত্তরা, তেজগাঁও, মোহাম্মদপুর, ঢাকার বসুন্ধরা, রামপুরা, বাড্ডা, যাত্রাবাড়ী, মিরপুর, মহাখালী, শাহীনবাগ ও মগবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব এলাকা থেকে হাজারখানেক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সন্দেহভাজনদের কিসের ভিত্তিতে আটক করা হচ্ছে, সে বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুটি অংশে অভিযান চালায় পুলিশ। একাংশ অভিযান চালায় বিএনপি-জামায়াত ও তাদের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলোর নেতা-কর্মীদের ধরতে। অন্য অংশের পুলিশ কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নেওয়া সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালায়।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

ফের অস্কারের মঞ্চে প্রিয়াঙ্কা
প্রয়াত স্ত্রী ইকরাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য আলভীর
বিদেশে বসে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে হাসিনা: মির্জা ফখরুল
শেরপুরে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
‘উন্নত চিন্তা-চেতনার ঘাটতি থাকায় নারীরা যথাযথ সম্মান পাচ্ছেন না’
উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবিরে ভয়াবহ আগুন
স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি
৫৩ অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বদলি
খালেদা জিয়ার মরণোত্তর পুরস্কার নিলেন নাতনি জাইমা রহমান
‘এবারের স্বাধীনতা দিবসে সরকারি স্থাপনায় আলোকসজ্জা করা হবে না’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শেষ অধ্যায় আজ
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
এবার ইরানের সম্ভাব্য সব নেতাকে হত্যার হুমকি দিলেন ট্রাম্প
‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননায় ভূষিত হলেন খালেদা জিয়া
শিক্ষকরা ফেব্রুয়ারির বেতন ও উৎসব ভাতা পাবেন যেদিন
ঈদ যাত্রার ১৮ মার্চের টিকিট বিক্রি হচ্ছে আজ
আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ
আমরা ছাড়ব না, ট্রাম্পকে মাশুল গুণতেই হবে: ইরান
বিশ্বের সকল নারীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
সৌদিতে একের পর এক ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান

ফটোগ্যালারী

[custom_gallery]

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১ 
কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.