দুটি বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা।
আজ বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে সংসদ অধিবেশনে এ ঘটনা ঘটে।
জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সঙ্গে যুক্তিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। এই বিতর্কের সময় জামায়াত আমীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘যে বিষয়টা নির্বাচনের আগে সরকারি দল বিরোধী দল সবাই একমত হয়েছিলাম। এর স্বপক্ষে কথা বলেছি, ক্যাম্পেইন করেছি।আমরা প্রতিকার পেলাম না। এতে শুধু আমরা না, দেশবাসীর তাদের রায়ের প্রতিফলন হলো না, মূল্যায়ন হলো না। আমরা বিরোধী দলে বসে এই অব্যমূল্যায়ন মেনে নিতে পারি না। এজন্য তার প্রতিবাদে আমরা ওয়াকআউট করছি।’
জবাবে স্পিকার বলেন, ‘মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা, আপনি আমার বক্তব্য তো সম্পূর্ণ করতে দিলেন না। আমি আপনার পুরো বক্তব্য শুনেছি। ওয়াকআউট করা আপনাদের অধিকার। কিন্তু আমি বলতে চাই যে, আজ একটু পরে আরেকটি মুলতবী প্রস্তাব বিবেচিত হবে। সেখানে আমার মনে হয় যে, আপনি আপনাদের প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন এবং সেখানে মন খুলে আপনারা আরও কথা বলতে পারবেন। সুতরাং আমার অনুরোধ হলো আপনারা ওটা শোনেন, তারপরে যদি ওয়াকআউট করতে পারেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্লিজ ফিল ফ্রি। তবে প্রস্তাবটির ভাগ্য কী নির্ধারণ হয়, সেটি আপনি দেখার জন্য একটু অপেক্ষা করে দেখতে পারেন।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘হ্যাঁ। ওই নোটিশটাও আমাদের নজরে আগে কিছুটা এসেছে এবং আমরা মনে করি যে মূল নোটিশকে চাপা দেওয়ার জন্য ওই নোটিশটা সামনে আনা হয়েছে। এজন্য দুইটার প্রতিবাদেই আমরা এই সংসদ থেকে আপাতত ওয়াকআউট করছি।’
এ সময় স্পিকার বলেন, ‘মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা, নোটিশই তো উত্থাপন হয়নি। আপনি কী করে বুঝলেন কোনটা চাপা দেওয়ার জন্য এটা করা হচ্ছে। আমি অনুরোধ করছি একটু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেন। নোটিশের বিষয়বস্তু শুনেন তারপরে আপনারা ফিল ফ্রি টু ওয়াকআউট।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই হাউজে নোটিশটা পড়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সদস্য এটা পড়েছেন আমরা শুনেছি। এজন্য আমরা বুঝে শুনেই বলছি যে, এই দুই কারণেই আমরা এখন ওয়াকআউট করছি।’








