১৯৯৪ সালে মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব জেতার পর বলিউডে একের পর এক হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন ঐশ্বরিয়া রাই। ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে কখনো অভিনেতা সালমান খান, কখনো বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পড়লেও ২০০৭ সালে অভিনেতা অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন সাবেক এ বিশ্বসুন্দরী।
১ নভেম্বর অভিনেত্রীর ৫১ পেরিয়ে গেলেও ৫২-তে পা রেখেছেন। তবু সময় যেন তাকে স্পর্শই করতে পারেনি। সৌন্দর্য ও আত্মবিশ্বাসে তিনি এখনো নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা—আইকন। সৌন্দর্যের সংজ্ঞা সময়ের সঙ্গে বদলায়, কিন্তু কিছু নাম সময়কেও হার মানিয়ে দেয়। ঠিক তেমনই ‘ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন’।
তবে গণমাধ্যমের খবর, বছরেরও বেশি সময় ধরে তাদের দাম্পত্যজীবনে নাকি কলহ চলছে। যদিও পরিবারের কেউ-ই তা নিয়ে কখনো মুখ খোলেননি। তবে এ নিয়ে আজকাল হামেশাই খবর আসে। সে সূত্র ধরেই পাকিস্তানের এক মাওলানা সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়াকে বিয়ের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে পাকিস্তানের ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব আবদুল কাভি বলেছে, তিনি ঐশ্বরিয়া রাইকে বিয়ে করার ইচ্ছা পোষণ করেন।
তিনি দাবি করেছেন, যদি ঐশ্বরিয়া ও অভিষেক বচ্চনের মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়, তবেই অভিনেত্রী তার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।
মুফতি কাভি আরও বলেন, আমি চাই না তাদের সম্পর্ক ভাঙুক। কিন্তু যদি সত্যিই তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে, তাহলে ঐশ্বরিয়া আমাকে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবেন।
পডকাস্ট সঞ্চালক প্রশ্ন করেন, একজন অমুসলিমকে কীভাবে তিনি বিবাহ করবেন। এ প্রশ্নের জবাবে কাভি জানান, ঐশ্বরিয়াকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করলে তার নাম হবে ‘আয়েশা রাই’।
মিডিয়ায় এ মন্তব্য ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়াও দেখা গেছে।







